Land Scam

এক হাজার কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ! হাসপাতালে ভর্তি বেআইনি জমি লেনদেন মামলায় ধৃত জয় কামদার, হাজির করানো গেল না আদালতে

ইডির আইনজীবী জানিয়েছেন, “ধৃতের কাছ থেকে অনেক তথ্য প্রমাণ মিলেছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ধৃতের যোগ রয়েছে। আমাদের অফিসার হাসপাতালে থাকবেন। এই নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।”

ধৃতের নাম জয় এস কামদার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৩৩

বেআইনি ভাবে জমি লেনদেন মামলায় রবিবার দুপুরে সান এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয় কামদারকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তাঁকে আদালতে হাজির করাতে যাওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ, তাঁকে কালকের মধ্যে হাজির করাতে হবে। না হলে ইডিকে মেডিকেল রিপোর্ট আদালতের কাছে জমা দিতে হবে।

রবিবার দুপুরের দিকে জমি লেনদেন মামলায় নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম‍্যানেজিং ডিরেক্টর জয় এস কামদারকে বেহালার বাড়ি থেকে আটক করে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে আনা হয়। তার একটু পরে সেখান থেকেই জয়কে গ্রেফতার করা হয়। রবিবারই জয়কে ব‍্যঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর কথা ছিল। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে তাঁকে নিয়ে আসার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। আরজি কর মেডিকেলে তাঁকে ভর্তি করানো হয়।

আইন অনুযায়ী কোনও ব‍্যক্তি গ্রেফতার হলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আদালতে হাজির করাতে হয়। এ ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। সশরীরে জয়কে হাজির করানো না গেলেও আদালত বেশ কিছু নির্দেশিকা দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, আগামীকালের মধ্যে জয় কামদারকে আদালতে হাজির করাতে হবে। না হলে আদালতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ইডির হাতে ধৃত জয়ের চিকিৎসা আরজি কর মেডিকেলেই করাতে হবে। ইডির আধিকারিকেরা হাসপাতালে থাকবেন। তাঁদের নজরদারিতে হাসপাতালে জয়ে চিকিৎসা চলবে।

ইডির আইনজীবী জানিয়েছেন, “ধৃতের কাছ থেকে অনেক তথ্য প্রমাণ মিলেছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ধৃতের যোগ রয়েছে। আমাদের অফিসার হাসপাতালে থাকবেন। এই নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।”

ইডি সূত্রের দাবি, বেহালার নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের বিরুদ্ধে এক হাজার ১০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সেই মর্মে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’বার তলব করা হয়। তবে তিনি হাজিরা দেননি। গত ১ এপ্রিল কসবার তৃণমূল কর্মী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনাপাপ্পুর বাড়িতে ইডি তল্লাশি চালিয়েছিল। ইডি সূত্রের দাবি, সেখান থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে জয় এস কামদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোনাপাপ্পুর বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল, বেআইনি ভাবে টাকা তোলা, তোলাবাজি, কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছে। জয় এস কামদারের সংস্থার মাধ্যমে সোনাপাপ্পুর কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ উঠেছে। ইডি সূত্রের আরও দাবি, ধৃত জয় কামদার জেরায় অসহযোগিতা করেছেন।


Share