Durgapur NIT

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড় দুর্গাপুরের এনআইটি, মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে

এদিকে, নিয়োগ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের লক্ষ্যে সোমবার দুর্গাপুর এনআইটিতে বোর্ড অফ গভর্নর্সের বৈঠক ডাকা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অম্লান চক্রবর্তী বলেন, 'বৈঠকে নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়টি উত্থাপন করা হলে কাগজপত্র দেখতে চাইব।'

কলকাতা হাই কোর্ট
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:২০

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা বর্তমানে চর্চার বিষয়। এই মামলায় শিক্ষামন্ত্রীর জেলযাত্রাও দেখছে সারা রাজ্য। এ বার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দুর্গাপুরের কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির অর্থাৎ এনআইটি-এর নাম জড়াল। এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়েই তোলপাড় দুর্গাপুর।

বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য গত বছরের নভেম্বর মাসে এনআইটি-তে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থী অঙ্কুশ চন্দ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ২৩ ডিসেম্বর কলকাতা হাই কোর্টে এনআইটি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ২৮ জানুয়ারি শুনানিতে আদালত নির্দেশ দেয়, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট সমস্ত তথ্য-সহ হলফনামা জমা দিতে হবে। এনআইটির ডিরেক্টর অরবিন্দ চৌবে বলেন, 'আমাদের লিগ্যাল সেল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আদালতে জমা করবে।'

এদিকে, নিয়োগ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের লক্ষ্যে সোমবার দুর্গাপুর এনআইটিতে বোর্ড অফ গভর্নর্সের বৈঠক ডাকা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য তথা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অম্লান চক্রবর্তী বলেন, 'বৈঠকে নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়টি উত্থাপন করা হলে কাগজপত্র দেখতে চাইব।'

একই সময়ে এনআইটির ‘শিক্ষক সমাজ’ বোর্ড অফ গভর্নর্সের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, 'নির্বাচিত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা খামে সিলবন্ধ থাকে। গত ২৫ নভেম্বর নিয়মানুযায়ী বোর্ড অফ গভর্নর্সের বৈঠকে চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সেই খাম খোলার কথা ছিল। সেটা না করে ও দিন সকালে কোনও অনুমতি ছাড়া খামগুলো খুলে ফেলেন ডিরেক্টর অরবিন্দ চৌবে। তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের উপস্থিতিতে একটি তালিকা স্ক্যান করে বোর্ড অফ গভর্নর্সের চেয়ারম্যানকে মেল করে পাঠান।'

তবে অরবিন্দ চৌবের বক্তব্য, 'মামলাকারী আমাদের প্রাক্তন ছাত্র। তিনি পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ফ্যাকাল্টি নিয়োগের জন্য উপদেষ্টা কমিটি (অ্যাকোফার) চাকরিপ্রার্থীদের নথি পরীক্ষা করে। ওই চাকরিপ্রার্থীর নথি মান অনুযায়ী ছিল না। তাঁকে প্রয়োজনীয় নথি ১০ দিনের মধ্যে জমা করতে বলা হয়েছিল। সেই নথি না–দিয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।'


Share