Banglar Bari Project

বাংলার বাড়ি প্রকল্পেও দুর্নীতি, কারা এই সুবিধা পেয়েছে? এসআইআরের তালিকা উল্লেখ করে রিপোর্ট দিতে বলল নবান্ন

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি অভিযোগ সামনে এসেছে। তা-ই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ ১০:১০

‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পেও দুর্নীতি হয়েছে। কারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে সুবিধা পেয়েছেন তা বিস্তারিত রিপোর্ট নবান্নে জমা দিতে হবে। পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিবকে চিঠি দিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি উপভোক্তাদের নাম এসআইআরের তালিকায় ছিল কি না তা-ও উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে অযোগ‍্য উপভোক্তাদের তালিকা তৈরি করতে হবে। সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অনেক অযোগ‍্য উপভোক্তা বাড়ি পেয়েছেন। তার ফলে সরকারি কোষাগারের বিপুল পরিমাণ টাকা নষ্ট হয়েছে। সেই কারণেই সমস্ত উপভোক্তাদের নাম যাচাই করতে হবে।

শুধু তা-ই নয়, ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প ছাড়াও আয়ুষ্মান ভারত, মনরেগা প্রকল্পের কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি অভিযোগ সামনে এসেছে। তা-ই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

এ ছাড়াও, এসআইআরের তালিকায় নাম না অনেকেই এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি পেয়েছেন। তাই যাঁরা বাড়ি পেয়েছেন, তাঁদের নাম আদৌ তালিকায় রয়েছে কি না তা উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। এই তালিকায় অনেক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাও ঢুকে পড়েছেন। তা-ই তাঁরাও কি এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তা নিশ্চিত করতেও এই সমীক্ষা করা হচ্ছে বলেও প্রশাসনিক মহলের একাংশের মনে করছেন।

উল্লেখ্য, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মোট ১.২০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়। তিন ধাপে অনুদান পৌঁছে যায়— প্রথম কিস্তিতে ৪০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় কিস্তিতে ৪০ হাজার টাকা এবং ঘর সম্পূর্ণ করার পর চূড়ান্ত ৪০ হাজার টাকা। নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রথম কিস্তি পাওয়ার পর ১২ মাসের মধ্যে বাড়ি সম্পূর্ণ করার কথা। প্রয়োজনে কাজের অগ্রগতির ভিত্তিতে সামান্য সময় বাড়ানো হয়। পরে সিদ্ধান্ত হয়, তিন কিস্তি নয়, দু’কিস্তিতে টাকা দেওয়া হবে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের টাকা প্রথম বার দেওয়া হয়।


Share