Calcutta High Court

বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ করতে অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট, মেনে চলতে হবে একগুচ্ছ শর্ত, নির্দেশ বিচারপতির

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রা আয়োজন করা যাবে। তবে প্রতিটি মিছিলে এক হাজারের বেশি মানুষের উপস্থিতি অনুমোদিত নয়। পাশাপাশি প্রতিদিন দুপুর দু'টো থেকে সন্ধ্যা ছ'টার মধ্যেই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি করতে অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:২৭

আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে আইনি জটিলতার অবসান ঘটল। শর্তসাপেক্ষে বিজেপির‘পরিবর্তন যাত্রা’ আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানির পর আদালত জানায়, কর্মসূচি করা যাবে ঠিকই, তবে একাধিক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। বিশেষত জনসমাগমের সংখ্যা ও সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক পরিকল্পনায় কিছুটা নিয়ন্ত্রণ এসেছে বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১ থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত পরিবর্তন যাত্রা আয়োজন করা যাবে। তবে প্রতিটি মিছিলে এক হাজারের বেশি মানুষের উপস্থিতি অনুমোদিত নয়। পাশাপাশি প্রতিদিন দুপুর দু'টো থেকে সন্ধ্যা ছ'টার মধ্যেই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। যাত্রাপথে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ওপর দেওয়া হয়েছে।

আদালতের নির্দেশের পর বিজেপি তাদের কর্মসূচিতে আংশিক পরিবর্তন এনেছে। দোল উৎসবের কারণে ৩ ও ৪ মার্চ যাত্রা স্থগিত রাখা হবে। ফলে ১ ও ২ মার্চের মধ্যেই অধিকাংশ সাংগঠনিক বিভাগের উদ্বোধনী কর্মসূচি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নিয়েছে দল। ১ মার্চ কোচবিহার, কৃষ্ণনগর, কুলটি ও গড়বেতা থেকে যাত্রা শুরু হবে। পরদিন ২ মার্চ ইসলামপুর, হাসন, সন্দেশখালি ও আমতায় কর্মসূচিরয়েছে। ওই দিনই রায়দিঘি থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যাত্রার সূচনা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের মধ্যে ন'টিতেই পরিবর্তন যাত্রাঅনুষ্ঠিত হবে। কলকাতা মহানগর বিভাগে কোনো যাত্রা রাখা হয়নি, কারণ ওই বিভাগের মূল দায়িত্ব ১৪ মার্চের ব্রিগেড সমাবেশ সফল করা। সেই সভায় উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘যোগদান মেলা’র মতো বৃহৎ কর্মসূচি না থাকলেও, পরিবর্তন যাত্রার মাধ্যমে রাজ্যে জনসমর্থন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছে বিজেপি। এই কর্মসূচিকে ঘিরে আগামী দিনে একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রীদের রাজ্যে সফরও বাড়তে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।


Share