Special Intensive Revision

যাদবপুরের বাড়ি থেকে বিএলও-র ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীদের বিরুদ্ধে মানসিক চাপ দেওয়ার অভিযোগ পরিবারের

অশোক দাস পূর্ব যাদবপুর থানার মুকুন্দপুরে অহল্যা নগরের বাসিন্দা। অশোকবাবু দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর এলাকার বহরু হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি পূর্ব যাদবপুরের চিতকালিকাপুর এফ.পি. স্কুলের ১১০ নম্বর ভোটকেন্দ্রের বিএলও হিসাবে কর্মরত ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজের বাড়িতেই ঝুলন্ত অবস্থায় বাড়ির লোকজন দেখতে পান।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ০৭:৩৬

যাদবপুর বিধানসভার বিএলও-র অস্বাভাবিক মৃত্যু। মৃতের নাম অশোক দাস। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের অনুগামীরা মানসিক ভাবে চাপ দিচ্ছিল। যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ বর্মা।

এর পরেই বিজেপি একটি অডিয়ো ক্লিপ প্রকাশ করে। তাতে মৃতের স্ত্রী অভিযোগ করছে, কলকাতা পুরসভার স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অনন‍্যা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা রাজু বিশ্বাসের বার বার অশোক বাবুকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “রাজু বলেছিল, একটা ভোটারের নাম যদি কাটা যায় তাহলে দেখে নেবে। বাড়ি থেকে ছেলে বৌকে তুলে নিয়ে আসবে।” এ ছাড়াও, বাড়ির বৌ এবং ছেলে বাইরে বেরোলে, ‘দেখে নেব’ বলেও হুমকি দিয়েছিল বলে ওই অভিয়োতে বলতে শোনা গিয়েছে। পাড়ায় যে তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল, তা মেনে নিয়ে বিএলও'র দিদি জানিয়েছেন, “কীভাবে মৃত্যু তা তদন্ত করে দেখা উচিৎ।”

ঘটনার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলকাতা পুরসভার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনন‍্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এরম কোনও ঘটনা ঘটেনি। গোটাটাই বিজেপির চক্রান্ত।“

জানা গিয়েছে, অশোক দাস পূর্ব যাদবপুর থানার মুকুন্দপুরে অহল্যা নগরের বাসিন্দা। অশোকবাবু দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর এলাকার বহরু হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি পূর্ব যাদবপুরের চিতকালিকাপুর এফ.পি. স্কুলের ১১০ নম্বর ভোটকেন্দ্রের বিএলও হিসাবে কর্মরত ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নিজের বাড়িতেই ঝুলন্ত অবস্থায় বাড়ির লোকজন দেখতে পান। সঙ্গে তাঁকে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা অশোক দাসকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কী ভাবে মৃত্যু তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ বর্মা ঘটনার খবর পেয়ে অশোক দাসের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।


Share