Special Intensive Rivision

৫৮ লক্ষের পরে বাদ পড়বে ৬ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম! নথি যাচাইয়ের পরে বাদের তালিকা আরও লম্বা হতে পারে, মনে করছে কমিশন

আগামীকাল শুনানির দিন শেষ হলেও এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় লক্ষ ভোটার শুনানিকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি সংক্রান্ত শুনানিতে যাঁদের ডাকা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যেই এই বিপুল গরহাজিরা।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৮

সারা রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামীকাল অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারী এই প্রক্রিয়ার ডেডলাইন। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, তার আগেই শুনানির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রত্যেকটি জেলার জেলাশাসকদের থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীকের দফতরে রিপোর্ট পৌঁছে গিয়েছে। এক কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ জনের নোটিস পাঠানো হয়েছিল। ইতিমধ্যেই এক কোটি ২৩ লক্ষ নথি যাচাই (ভেরিফিকেশন) সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।

আগামীকাল শুনানির দিন শেষ হলেও এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছ’লক্ষ ভোটার শুনানিকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। তথ‍্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি সংক্রান্ত শুনানিতে যাঁদের ডাকা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যেই এই বিপুল সংখ্যক গরহাজির থেকেছেন। এই গোটা শুনানি পর্বে উত্তর ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি গরহাজিরা দেখা গিয়েছে। ওই জেলায় শুনানিতে এক চতুর্থাংশ ডাক পড়া ভোটার আসেননি। কমিশনের ভিতরেই এই বিপুল সংখ্যক অনুপস্থিতি ঘিরে উদ্বেগ তৈরী হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, ৬ লক্ষ ২৫ হাজার নাম বাদ পড়বে। তবে নথি যাচাইয়ের পরে এই তালিকা আরও লম্বা হবে বলে মনে করছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর ৫৮ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে। মূলত, মৃত-ভুয়ো-স্থানান্তরিত-অনুপস্থিত ভোটার হিসেবেই এই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ যায়। শুনানি পর্বের পরে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেও আরও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে শুনানি শেষের পর সুপার চেকিং প্রক্রিয়া চলছে। সেই সময় রোল অবর্জাভারদের নজরে আসে অযোগ্য ভোটারদের তালিকা। সেই সংখ্যাটি প্রায় এক লক্ষ ৪০ হাজার। ফলত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। নথিতে অসংগতি থাকার কারণেই তাদের নাম বাদ যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই ভোটারদের নাম বাদ গেলেও পরবর্তীতে নাম তোলার সুযোগ থাকবে।


Share