Suicide

বীরভূমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, পারিবারিক বিবাদে বাড়ি ছেড়েছিলেন, ময়নাতদন্তের জন‍্য হাসপাতালে পাঠাল পুলিশ

পুলিশ সূত্রের খবর, বেশ কয়েক মাস ধরে বাপের বাড়িতেই থাকছিলেন। এ দিন সকালে বিস্তর ডাকাডাকি করেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে পুলিশ। দেখা যায়, ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেহটি ঝুলছে।

মৃতের নাম বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, রামপুরহাট
  • শেষ আপডেট: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:২৪

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায়। রামপুরহাটের বাড়ি থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, ব‍্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন চলছিল। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

মৃত তরুণী বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায় রাজ‍্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাইয়ের মেয়ে। মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটের বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, বৃষ্টির ব‍্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন চলছিল। তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছিল। অভিযোগ, বৃষ্টির স্বামী তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছিল। তাঁর ১২ বছরের এক সন্তান রয়েছে।

ঘটনার পরে বাড়ির সামনে ভিড় জমেছে। তবে দাম্পত্যজনিত টানাপোড়েনের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন কি না, তা এখনই স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রের খবর, বেশ কয়েক মাস ধরে বাপের বাড়িতেই থাকছিলেন। এ দিন সকালে বিস্তর ডাকাডাকি করেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে পুলিশ। দেখা যায়, ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেহটি ঝুলছে। এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে প্রথম বার খবরের শিরোনামে উঠে আসেন বৃষ্টি ঘটক মুখোপাধ্যায়। বোলপুর উচ্চ প্রাইমারি স্কুলে গ্রুপ-সি কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়। চাকরি হারান বৃষ্টিও। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন বৃষ্টি। সেই সময় মমতার মামাতো ভাই জানিয়েছিলেন, শারীরিক অসুস্থতার জেরে পদত্যাগ করেন বৃষ্টি। বেতনও তোলেননি তিনি।


Share