Arms Seized

মাওবাদী জঙ্গিদের ডেরায় পুলিশের অভিযান, উদ্ধার তিনটি রাইফেল, বাজেয়াপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ

বান্দোয়ান থানার দুয়ারসিনি এলাকায় একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি রাইফেল, একটি রিভলভার ও ৩৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে।

উদ্ধার কার্তুজ ও আগ্নেয়াস্ত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, পুরুলিয়া
  • শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:৪৭

একাধিক মাওবাদী জঙ্গি সংগঠনের নেতা-নেত্রীর আত্মসমর্পণের পর এ বার অস্ত্র উদ্ধারে সাফল্য পেল পুরুলিয়া জেলা পুলিশ। জেলার ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তিনটি রাইফেল, একটি রিভলভার এবং ৩৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চালানো হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

সম্প্রতি মদন, রবি ও মীরার মতো মাওবাদী জঙ্গি সংগঠনের নেতা-নেত্রীরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। সংগঠনের একাধিক সদস্য অস্ত্র ছেড়ে পুলিশের কাছে ধরা দেওয়ার পর থেকেই মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা বেড়েছে। সেই সূত্র ধরেই পুরুলিয়ায় এই সাফল্য বলে মনে করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার পুরুলিয়ার জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ জানান, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বান্দোয়ান থানার অন্তর্গত ঝাড়খণ্ড সীমান্তের দুয়ারসিনি এলাকায় একটি বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকেই একটি ব্যাগে রাখা আগ্নেয়াস্ত্রগুলি উদ্ধার করেন পুলিশকর্মীরা।

পুলিশ সুপার আরও জানান, চলতি বছরের অগস্ট ও সেপ্টেম্বরে এসটিএফ, ঝাড়খণ্ড পুলিশ এবং বাঁকুড়া জেলা পুলিশ একাধিক অভিযান চালিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে ঝাড়খণ্ড পুলিশের অভিযানে ১৫ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়। তার পর থেকে মাওবাদীদের গতিবিধি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।

তবে মাওবাদীদের অস্ত্রভাণ্ডার পুরোপুরি উদ্ধার হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ। জেলার বিভিন্ন গোপন জায়গায় আরও আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে রাখা থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। সেই অস্ত্র উদ্ধারে আগামী দিনেও অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ।


Share