Weather Update

দক্ষিণবঙ্গে হালকা-মাঝারি বৃষ্টি, উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণের সতর্কতা, আগামী সপ্তাহে বাড়তে পারে বর্ষার দাপট

রবিবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়ে কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৬ ১১:৫৩

রবিবার সকাল থেকেই মেঘে ঢাকা আকাশ। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকাল থেকেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনভর দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলতে পারে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপটি বর্তমানে দুর্বল হয়ে ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে।

কলকাতায় রবিবারও অস্বস্তিকর গরমের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। সকালে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির দেখা মিললেও আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এ দিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৮ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৪ ডিগ্রি বেশি।

দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। এছাড়া অন্যান্য জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলির জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কোচবিহার এবং কালিম্পং জেলায় অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া দফতর আশঙ্কা, আগামী সপ্তাহেও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। টানা বৃষ্টির ফলে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি নদীর জল বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। নীচু এলাকায় জল জমা, প্লাবন এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের সম্ভাবনা থাকায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


Share