Assembly Election 2026

নির্বাচনের দিন বুথের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের বাইরেও বসানো হবে ওয়েব কাস্টিং ক্যামেরা, বুথ দখল-ছাপ্পা রুখতে আরও কড়া নির্বাচন কমিশন

কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথের বাইরে মাইক্রো অবজারভার থাকবে। তাঁদের সঙ্গেও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এ ছাড়াও, ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে মাইক্রো অবজারভারদের মতো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের নিযুক্ত করা হতে পারে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ১১:৪৪

বুথের ভিতরে ওয়েব কাস্টিং ক‍্যামেরা আগেই ছিল। এ বার ভোটকেন্দ্রের বাইরেও ওয়েব কাস্টিং ক‍্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, বুথের বাইরে কোনও রকম অশান্তি, জমায়েত বরদাস্ত করা হবে না। তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বুথের বাইরে একজন করে মাইক্রো অবজারভার থাকবে। তাঁদের সঙ্গেও থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

গতকাল ডেপুটি কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী-সহ কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকেরা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল-সহ একাধিক পদস্থ কর্তাদের নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন। রাজ্যে এই মূহূর্তে ৮০ হাজার ৬৮১টি বুথ রয়েছে। পাশাপাশি ৭৮টি বহুতলে ভোটকেন্দ্র করা হবে। কমিশন সূত্রের খবর, রাজ‍্যের প্রতিটি বুথে ওয়েব কাস্টিং ক‍্যামেরা থাকবে। এর পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের বাইরেও ওয়েব কাস্টিং ক‍্যামেরা রাখা হবে। ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে যে কোনও রকম জমায়েত নিষিদ্ধ। আবার নির্বাচনের দিন বুথ দখল, বুথে ঢুকে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ ওঠে। এমনকী, ভোট দিতে আসা মানুষদের প্রভাবিত করারও অভিযোগ ওঠে। তাই এমন ঘটনা যাতে নির্বাচনের দিন না ঘটে তা নিয়ে আরও কড়া হতে চলেছে কমিশন।

কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথের বাইরে মাইক্রো অবজারভার থাকবে। তাঁদের সঙ্গেও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এ ছাড়াও, ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে মাইক্রো অবজারভারদের মতো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের নিযুক্ত করা হতে পারে। যে সমস্ত ওয়েব কাস্টিং ক‍্যামেরা বসানো হচ্ছে, তার দায়িত্বে একজন করে রাখা হবে। তাঁরাই বুথে কী হচ্ছে তা পর্যবেক্ষণ করবেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ নির্বাচন করতে আগেভাগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে এসেছে। তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব জেলায় পৌঁছেও গিয়েছে। ভোটের আগে চলছে রুট মার্চও। এ বারের নির্বাচনের কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে জিপিএস বসানো থাকবে। প্রতিটি জওয়ানকে বডিক‍্যাম দেওয়া হবে। নির্বাচনের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিস্ক্রিয়তা নিয়ে অভিযোগ ওঠে। এ বার যাতে একটিও এমন ঘটনা না ঘটে তা নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

কমিশন সূত্রের খবর, বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে রাজ্য পুলিশকে আর‌ও একবার সতর্ক করে দিয়েছেন তাঁরা। স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে প্রয়োজন মতো ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোন‌ও প্রকার আতিথেয়তা গ্রহণ না করে সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


Share