Special Intensive Revision

দু’দিনের মধ্যে গ্রুপ-বি আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ শেষ করতে হবে, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন

তালিকায় ৩০ শতাংশ কর্মী গ্রুপ-সি রয়েছেন। কিন্তু তাঁরা বেতন পান গ্রুপ-বি হারে। তাঁদের কীভাবে গ্রুপ-বি হিসেবে বিবেচনা করা যায় তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সিইও দফতর।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:১৯

রাজ‍্যের পাঠানো তালিকা নিয়ে আপত্তি তুলল নির্বাচন কমিশন। তালিকায় থাকা ৩০ শতাংশ রাজ্য সরকারি কর্মীকে নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। সেই মর্মে নবান্নকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসকদের ‘যোগ‍্য’ গ্রুপ-বি আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দিতেও বলা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ৮ হাজার ৫০৫ জনকে ইআরও-দেরকে সাহায্য করার জন্য গ্রুপ-বি কর্মী দিতে বলা হয়েছিল। কমিশন সূত্রের খবর, ৬ হাজার ৩০০ জন কাজে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু কাজ শুরু করেছেন কি না তা নিয়ে স্পষ্ট করেনি কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, তাঁদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। লগইন আইডি দিতেও সময় লাগবে। সেই মর্মে জেলাশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু যে তালিকা কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে তাতে ৪০৪ জন ইতিমধ্যেই কাজ করছেন। তাঁরা এইআরও হিসেবে কাজ করছেন। তাই তাঁদের রাখা যাবে না। কমিশনের নির্দেশ, তালিকা অনুযায়ী যোগ্য গ্রুপ-বি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ‍্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।

অন‍্যদিকে, তালিকায় ৩০ শতাংশ কর্মী গ্রুপ-সি রয়েছেন। কিন্তু তাঁরা বেতন পান গ্রুপ-বি হারে। তাঁদের কীভাবে গ্রুপ-বি হিসেবে বিবেচনা করা যায় তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সিইও দফতর।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উল্লেখ করে সিইও দফতর এ-ও বলেছে, তাঁরা ইআরও-দের কাজে সাহায্য করবেন। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কিন্তু কোথাও এমন বলা হয়নি তাঁরা মাইক্রো অবজার্ভার। তার পরেও মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে তাঁদের পাঠানো হয়েছে।

সেই মর্মে শনিবার একটি চিঠি নবান্নকে সিইও দফতর পাঠিয়েছে। যদিও কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ৮ হাজার ৫০৫ জনের নামের তালিকার কথা বলা হলেও তা আদতে পাঠানো হয়নি।


Share