চাকরির টোপে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ! গ্রেফতার মহিষাদলের প্রাক্তন বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী

অভিযোগকারীর দাবি, গেঁওখালি জল প্রকল্পে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ছ'লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মহিষাদল থানার পুলিশ প্রাক্তন বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মহিষাদল
  • শেষ আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ ১০:০৪

নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন মহিষাদলের প্রাক্তন বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী। এই ঘটনায় পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, গেঁওখালি জল প্রকল্পে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ছ'লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মহিষাদল থানার পুলিশ প্রাক্তন বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে। দীর্ঘক্ষণ জেরার পর বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে তোলা হবে।

অন্য দিকে, বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতা পুরসভার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত বছর তাঁর বিরুদ্ধে বড়বাজার থানায় প্রতারণা ও জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে অগ্রগতি হওয়ার পর বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতে পেশ করা হলে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানাতে পারে তদন্তকারীরা।

রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ার কথা বারবার জানিয়েছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সরকারি সূত্রের দাবি। এর আগে একাধিক তৃণমূল কাউন্সিলরও বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হলেন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহেশ কুমার শর্মা।

এ দিকে, তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদারকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে একটি ফ্ল্যাট বেআইনিভাবে দখল করে রাখার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি শ্লীলতাহানির অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।


Share