Special Intensive Revision

অবশেষে চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল নবান্ন, কমিশনের ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

ভোটার তালিকায় বেআইনি ভাবে নাম নথিভুক্ত করার অভিযোগে ওঠে ময়না এবং বারুইপুর পূর্ব— দুই বিধানসভার কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

দেশের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:১৯

ভোটার তালিকায় অবৈধ ভাবে নাম নথিভুক্ত করার অভিযোগে চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশন এই সংক্রান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই নির্দেশ অবশেষে কার্যকর করল রাজ্য সরকার।

কমিশন সূত্রের খবর, গতকাল রাতেই চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে। নির্দেশ কার্যকর করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং নির্বাচন সদনে পাঠিয়েও দেওয়া হয়ে বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও, বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও সুমিত্রপ্রতিম প্রধানকেও সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করা হয়েছে।

কমিশন বারবার বলা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের চার আধিকারিক, একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর এবং বসিরহাট-২-এর বিডিওর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি রাজ্য। গত সপ্তাহে রাজ‍্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে নির্বাচন সদনে তলব করা হয়। তার পরের দিনই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। মঙ্গলবারই সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। তার আগেই চার জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করল রাজ‍্য সরকার।

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তা ভদ্রতার খাতিরে। কারণ নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছিল, চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেই নিয়েই ব্যবস্থা করা হয়েছে।” পাশাপাশি মুখ‍্যমন্ত্রী এ-ও জানান, যাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন, তাঁদের পাশে রাজ্য সরকার রয়েছে। মূলত কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী রাজ্য সরকার পদক্ষেপ করছে। 

ভোটার তালিকায় বেআইনি ভাবে নাম নথিভুক্ত করার অভিযোগে ওঠে ময়না এবং বারুইপুর পূর্ব— দুই বিধানসভার কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। অভিযোগ, তাঁরা বেআইনি ভাবে নিজেদের লগইন আইডি শেয়ার করেছেন। যাতে কমিশনের তথ‍্য নিরাপত্তাকে বিপদে ফেলেছে। এই চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করে এফআইআর করতে বলেছিল কমিশন। রাজ‍্যে এই চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করলেও এফআইআর করেনি।


Share