Assembly Election 2026

ভোটের কাউন্টডাউন শুরু! এপ্রিলেই প্রথম দফা নির্বাচনের সম্ভাবনা, এখনও অনিশ্চয়তায় ৬০ লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ

রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সূত্রের খবর, এক থেকে তিন দফায় ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার এপ্রিল মাসেই ফল ঘোষণা করা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বিরোধী দল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ০৯:৩৮

আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। প্রায় ৬৩ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আগেই নির্বাচন কমিশন ভোটের সূচি ঘোষণা করতে পারে সূত্রের খবর। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির নির্বাচন সূচিও একই দিনে ঘোষণা হতে পারে।

রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সূত্রের খবর, এক থেকে তিন দফায় ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। আবার এপ্রিল মাসেই ফল ঘোষণা করা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বিরোধী দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দুই দফাতেই ভোট চায়। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে প্রথম দফার ভোট হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে প্রায় ৬০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারকে ঘিরে। তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এর আগেই জল্পনা ছিল, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। এখন শোনা যাচ্ছে, ১৬ মার্চ সেই ঘোষণা হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক, জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশনের কর্তারা পুরো প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছেন।

আগামী বিধানসভা নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন হয়, সেই লক্ষ্যে কমিশন তৎপর। বাম ও বিজেপি উভয় শিবিরই কমিশনকে জানিয়েছে, কম দফায় ভোট হলে অশান্তির সম্ভাবনা কম থাকবে। তাই সূত্রের দাবি, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়েই প্রথম দফার ভোট হতে পারে।

তবে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিচারাধীন রয়েছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের কাজ করছেন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা। বর্তমানে প্রায় ৫০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত আছেন।

গত সোমবার এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী আগাম পিটিশন দায়ের করেছিলেন। কিন্তু শীর্ষ আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত জানায়, ওই দিন পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের বিষয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে, যদিও এখনও অনেকের ভাগ্য নির্ধারণ বাকি।

জানা গিয়েছে, বিচারাধীনদের শুনানি প্রক্রিয়া চলতে থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করতে হবে। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, ভোটের আগেই বিচারাধীন ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণের চেষ্টা করা হবে।


Share