Amit Shah On Rahul Gandhi

আগামী ২০২৯ সালেও লোকসভা নির্বাচনে হারবে কংগ্রেস, রাহুল গাঁধীকে কটাক্ষ অমিত শাহের

রাহুল গাঁধীর আত্মসমীক্ষার প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। তিনি সরাসরি বলেন, ‘যে রাজ্যে (গুজরাট) এক সময়ে আপনারা দীর্ঘ কয়েক দশক ক্ষমতায় ছিলেন, সেখানে গত ৪১ বছরে কোনও নির্বাচনে জিততে পারেনি আপনারা।’ এর পরেই SIR প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। শাহ বলেন, ‘SIR তো ২০২৪-এ শুরু হয়েছে। কিন্তু আত্মসমীক্ষা করে দেখুন, আপনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কংগ্রেস হারতে শুরু করেছে।’

(বাঁ দিক থেকে) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৩

আগামী ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ফের বড়সড় পরাজয়ের মুখে পড়বে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর পূর্বাভাস, আগামী সাধারণ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। অন্যদিকে, টানা চতুর্থবার পরাজয়ের মুখে পড়তে পারে কংগ্রেস।

মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধীকে নিশানা করে অমিত শাহ বলেন, নির্বাচনে বারবার পরাজয়ের কারণ খুঁজতে কংগ্রেস নেতৃত্বকে আত্মসমালোচনা করতে হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়াকে নির্বাচনী পরাজয়ের কারণ হিসেবে তুলে ধরারও সমালোচনা করেন তিনি।

অমিত শাহের অভিযোগ, SIR-এর বিরোধিতার আড়ালে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় রাখার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। তাঁর দাবি, দেশের মানুষ বিজেপি, এনডিএ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাশে রয়েছেন।

রাহুল গাঁধীকে উদ্দেশ্য করে শাহের বার্তা, ২০২৯ সালের নির্বাচনে আরও একটি বড় পরাজয়ের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত কংগ্রেসের। তাঁর মতে, নেতিবাচক রাজনীতি করে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়। বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং দলের নির্বাচনী ব্যর্থতার কারণ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার সংশোধন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অমিত শাহের মন্তব্য জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল।

তবে ২০২৯ সালের নির্বাচনে কে জয়ী হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। অমিত শাহের বক্তব্য তাঁর রাজনৈতিক পূর্বাভাস; নির্বাচনের প্রকৃত ফল নির্ভর করবে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভোটারদের রায়ের উপর।


Share