Assembly Election 2026

আগামীকালই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সবচেয়ে বেশি পূর্ব মেদিনীপুরে, তার পরেই কলকাতা এবং মালদহ

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তা জানিয়ে দিয়েছে। প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর রাজ‍্যে আসছে। বাকি বাহিনী ১০ মার্চ রাজ‍্যে আসবে। রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:১৬

১ মার্চ নয়। আগামীকালই রাজ‍্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফার ২৪০ মোতায়েন করা হবে। আপাতত পূর্ব মেদিনীপুরে সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন হবে। সংখ্যার দিক থেকে তার পরেই রয়েছে কলকাতা এবং মালদহ জেলা।

কমিশন সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের ১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। কলকাতা এবং মালদহে ১২ কোম্পানি করে বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী যাবে। ব‍্যারাকপুর এবং কোচবিহারে ৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে। পূর্ব বর্ধমান, চন্দননগর, হাওড়া গ্রামীণ, জঙ্গিপুর এবং মুর্শিদাবাদে ৮ কোম্পানি বাহিনী আসছে। জলপাইগুড়ি, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট, বসিরহাট, আসানসোল-দুর্গাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং বীরভূমে ৭ কোম্পানি করে বাহিনী আসছে। দার্জিলিং, রায়গঞ্জ, রানাঘাট, কৃষ্ণনগর, হুগলি গ্রামীণ এবং ডায়মন্ড হারবারের ৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হতে চলেছে। ঝাড়গ্রাম, ইসলামপুর এবং বারুইপুরে ৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। সুন্দরবন এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে। শিলিগুড়ি এবং কালিম্পংয়ে ৩ কোম্পানি করে বাহিনী আসতে চলেছে।

মার্চ মাসের তৃতীয় বা চতুর্থ সপ্তাহে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার কথা নির্বাচন কমিশনের। তার আগেই রাজ‍্যে কেন্দ্রীয়বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। প্রথমে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন হবে। তার পরে ১০ মার্চ বাকি বাহিনী রাজ্যে মোতায়েন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে। রাজ‍্যে আপাতত দু’দফায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

এই সংক্রান্ত একাধিক বৈঠক হয়েছে রাজ‍্য সরকারের সঙ্গে। কমিশন সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখা যাবে না। পুলিশের আধিকারিকেরা তাঁদের নিয়ে রুটমার্চ করবে। সম্প্রতি যেখানে নির্বাচনী অশান্তির ঘটনা ঘটেছে সেখানে যেতে হবে। তা চিহ্নিত করতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আগে থেকেই কঠোর হতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।


Share