Abhishek Banarjee

‘বিদ্রোহীরা দিদির কাছে ফিরলে এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করব’ চ্যালেঞ্জ অভিষেকের, আমতলায় বুলডোজার অভিযানের পর হাই কোর্ট-সুপ্রিম কোর্টে লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি

এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার অভিষেক বলেন, ‘যাঁরা দল ছেড়ে আজ আমাকে গালিগালাজ বা দোষারোপ করছেন... তাঁদের আমি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি। তাঁরা যেন দিদি'র কাছে ফিরে আসেন। যদি তাঁরা তা করেন, তবে আমি এক ঘণ্টার মধ্যে দল থেকে পদত্যাগ করব।'

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ ১১:১০

তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন ও দলত্যাগের জল্পনার আবহে মুখ খুললেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একের পর এক বিধায়ক ও নেতা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন এবং দলের খারাপ ফলাফলের জন্য তাঁকেই দায়ী করছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার অভিষেক বলেন, ‘যাঁরা দল ছেড়ে আজ আমাকে গালিগালাজ বা দোষারোপ করছেন... তাঁদের আমি চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি। তাঁরা যেন দিদি'র কাছে ফিরে আসেন। যদি তাঁরা তা করেন, তবে আমি এক ঘণ্টার মধ্যে দল থেকে পদত্যাগ করব।'

এর পরেই অভিষেকের সংযোজন, ‘বিদ্রোহীরা ফিরে আসবেন না। তাঁরা বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করেছেন। দল ছাড়া, বিদ্রোহী শিবির বা বিজেপিতে যোগ দেওয়া, ইডি, সিবিআই ও অন্যান্য সংস্থার সুরক্ষা নেওয়া এবং তারপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দোষারোপ ও গালিগালাজ করা-এটাই তাঁদের কৌশল।’

অন্য দিকে, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয়ের অভিযোগিত বেআইনি অংশে বুলডোজার চালিয়ে ভাঙার কাজ করে প্রশাসন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ওই কার্যালয়ে পুলিশের তল্লাশি চলছিল। সেখান থেকে বিভিন্ন সামগ্রী সরিয়ে নিতে ট্রাঙ্কও আনা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, দলীয় কার্যালয়ের সমস্ত বৈধ নথি রয়েছে। প্রয়োজনে এই ভাঙচুরের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত আইনি লড়াই চালাবেন বলেও জানান।

পুলিশের দাবি, অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ভবনের মালিকপক্ষকে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। সেই কারণেই শনিবার ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গত ১৫ তারিখ এ বিষয়ে শুনানি হয়েছিল এবং তাঁদের প্রতিনিধিরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, শুনানির সময় প্রশাসন অভিযোগের কপিও দিতে পারেনি।

অভিষেকের অভিযোগ, ‘জেলা প্রশাসন ছাড়াও বিজেপির নেতারা ঝান্ডা নিয়ে ফেট্টি বেঁধে পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব করেছে। প্রধান বিচারপতির ওসডিকে বিষয়টি নিয়ে ই–মেল করেছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেনশন করে শুনানি শুরু চেষ্টা করব। সুপ্রিম কোর্টে যাব। ভিডিয়োতে যাঁদের দেখা গিয়েছে, কেউ বাঁচবেন না।’


Share