CJP Protest

তিন ককরোচ নেতা গ্রেফতার, ম‍্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করানোর পরে ছাড়া হল দীপকে-সৌরভ-রাঙ্কাদের

শনিবার সকালে অভিজিৎ দীপকের বিমান দিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই তাঁকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। ওই বিমানে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাও ছিলেন। বিমানের মধ‍্য ঢুকে পুলিশ তাঁদের আটক করে নিয়ে যায়।

ককরোচ নেতা অভিজিৎ দীপকে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৪৩

ককরোচ পার্টির তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি বিষয়টি যাঁরা দেখেন তাঁদের এই খবরটি জানানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে রবিবার সকাল ৯টায় তিন জনকেই দিল্লি ক‍্যান্টনমেন্ট থানায় এক্সিকিউটিভ ম‍্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করানো হয়েছিল। তাঁদের সেখান থেকেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ এবং ১৭০ নম্বর ধারায় তাঁদের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হয়েছিল। শনিবার মূখ‍্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তর অভিযানের ডাক দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। তাতে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি ছিল না। ছিল আম আদমি পার্টি, তৃণমূল এবং কমিউনিস্টরা।

শনিবার সকালে অভিজিৎ দীপকের বিমান দিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই তাঁকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। ওই বিমানে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাও ছিলেন। বিমানের মধ‍্য ঢুকে পুলিশ তাঁদের আটক করে নিয়ে যায়। রবিবার সকালে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। সকালেই দিল্লি ক‍্যান্টনমেন্ট থানায় এক্সিকিউটিভ ম‍্যাজিস্ট্রেটের কাছে তাঁদের হাজির করানো হয়েছে। তিন ককরোচ নেতাকে সেখান থেকেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

অন‍্য দিকে, শনিবার গভীর রাতে মোদী বিরোধী ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকে থানা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ভোর ৩টে নাগাদ ভুয়ো খবর ছড়ানোর ‘ওস্তাদ’ থানা থেকে ছাড়া পেয়েছেন। ধ্রুব রাঠী আদলে বিদেশি নাগরিক। বিদেশে বসেই মোদী বিরোধী প্রচার চালান। যন্তর মন্তরে ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন। তাই তাই তাঁকে যন্তর মন্তরের না যাওয়ার জন্য পুলিশ পরামর্শ দিয়েছে।

বিক্ষোভে কর্মসূচিতে লোক হবে না সেই আশঙ্কায় তাঁরা জেনে-বুঝেই পুলিশের হাতে ধরা দিয়েছিল বলে দাবি করে সাংবাদিক অজিত ভারতী। অপর দিকে, গ্রেফতার করা হতে পারে, আগেই আশঙ্কা করেছিলেন দীপকে-রা। তাঁদের তিন জনের অনুপস্থিতিতে অজিঙ্ক শিন্দেকে নেতা ঘোষণা করেছিলেন দীপকে। বলেছিলেন, তাঁদের গ্রেফতার বা আটক করা হলে সিজেপির আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্ক। সেই মতো রবিবার ফের আন্দোলনের ডাক দেন ককরোচেরা। যন্তর মন্তরে রবিবারও জমায়েতের আহ্বান জানানো হয়েছে সমর্থকদের।


Share