Accident

জম্মু-কাশ্মীরে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা, উধমপুরে খাদে পড়ে মৃত্যু অন্তত ১০, গুরুতর আহত বহু যাত্রী

ঘটনার পরই স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহতদের তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

জম্মুতে বাস দুর্ঘটনা
নিজস্ব সংবাদদাতা, জম্মু
  • শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫৮

সোমবার ভোরে জম্মু ও কাশ্মীরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উধমপুর জেলার রামনগর-উধমপুর হাইওয়ের ধারে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে যায়। প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু যাত্রী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাসটি রামনগর থেকে উধমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। কানোতে গ্রামের কাছে পৌঁছনোর সময় হঠাৎই দ্রুতগতির বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা থেকে পিছলে গিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের ভেতরে থাকা যাত্রীরা গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুর্ঘটনার সময় বাসটির গতি ছিল বেশ বেশি।

ঘটনার পরই স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহতদের তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী লেখেন, 'মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে একটু আগে উধমপুরের ডিসি মিঙ্গা শেরপার সঙ্গে কথা বললাম। আধ ঘণ্টারও কম সময় আগে ঘটেছে দুর্ঘটনাটি। কনোট গ্রামে। রামনগর থেকে উধমপুর যাচ্ছিল পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ওই বাসটি। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বেশকিছু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সম্ভাব্য সমস্ত রকমের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসা সংক্রান্ত সাহায্যের জন্য আহতদের স্থানান্তরিত করা হবে। গুরুতর আহতদের আকাশপথে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আমি ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছি। এর পাশাপাশি রাজিন্দর শর্মার নেতৃত্বাধীন স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ রেখেছি।'

জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বলেন, "উধমপুরের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা হৃদয়বিদারক। শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। ঈশ্বর তাদের শক্তি দিন। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। আমি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, এসডিআরএফ এবং স্বাস্থ্য বিভাগকে ক্ষতিগ্রস্তদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।"

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পাহাড়ি রাস্তার বিপজ্জনক বাঁক এবং অতিরিক্ত গতির জেরে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।


Share