Supreme Court

বকেয়া ডিএ মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের নজর! ২৭ অক্টোবর শুনানিতে উঠতে পারে মূল বিষয়, এখনও বঞ্চিত অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মী ও পেনশনভোগীরা

বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে নয়, বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি শ্রী চন্দ্রশেখরের বেঞ্চে মামলাটি তালিকাভুক্ত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৫২

রাজ্য সরকারি কর্মীদের পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ মামলার শুনানি আগামী ২৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টে। বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চে নয়, বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি শ্রী চন্দ্রশেখরের বেঞ্চে মামলাটি তালিকাভুক্ত হয়েছে। গত ১৬ অক্টোবর মামলাটির সংক্ষিপ্ত শুনানি হলেও বকেয়া ডিএ-র মূল বিষয় নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। একটি সরকারি কর্মচারী সংগঠনকে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত ইন্দু মালহোত্রা কমিটির কাছে বক্তব্য পেশের সুযোগ দেওয়ার আবেদন ঘিরেই ওই শুনানি হয়েছিল।

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটি ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত আরও একটি রিপোর্ট শীর্ষ আদালতে জমা দিয়েছে। সেই কারণে আগামী মঙ্গলবার মামলার মূল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত শুনানি হতে পারে বলে আশাবাদী মূল মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।

মালহোত্রা কমিটির সর্বশেষ রিপোর্টে বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। কলকাতা পুরসভা এলাকায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা সরকারি দফতরের পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ প্রদান নিয়ে বেশ কয়েক মাস ধরে জটিলতা চলছিল। পরে রাজ্য সরকার তাঁদের বকেয়ার ৫০ শতাংশ দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। তার পরেও কিছুদিন সমস্যা অব্যাহত ছিল। কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, এই শ্রেণির ২৫ হাজার ৯৬৬ জন পেনশনভোগীকে বকেয়া বাবদ মোট ১৬২ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কর্মরত সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ প্রদানের হিসাবও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এখনও বকেয়া ডিএ পাননি গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীরা। এই তালিকায় রয়েছে সরকারি আর্থিক অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুরসভা, পঞ্চায়েত এবং বিভিন্ন স্বশাসিত সরকারি সংস্থার কর্মীরা। সরকারি দফতরের কর্মী ও পেনশনভোগীদের তুলনায় এই শ্রেণির উপভোক্তার সংখ্যা অনেক বেশি হলেও মালহোত্রা কমিটির সর্বশেষ রিপোর্টে তাঁদের বকেয়া ডিএ-র বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।

এই প্রসঙ্গে মলয় মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে জটিলতা রয়েছে। কারণ, তাঁদের বেতন প্রদানের পদ্ধতি সরকারি দফতরের কর্মীদের থেকে আলাদা। সুপ্রিম কোর্টে চলা মামলাতেও সরাসরি এই বিষয়টি ওঠেনি। তবে আগামী শুনানিতে এই শ্রেণির কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ-র বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি, ডিসেম্বর মাসে মালহোত্রা কমিটির সঙ্গে মামলার বিভিন্ন পক্ষের প্রস্তাবিত বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


Share