Shoot Out

দীপাবলীর আগেই পটনায় জমি বিবাদ ঘিরে শ্যুটআউট, গুলিতে জখম একই পরিবারের চারজন

ঘটনায় সুরেন্দ্র, সানি, রাহুল এবং রঞ্জিত কুমারের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে। আহতদের পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা এক বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীর হাত থেকে রাইফেল ছিনিয়ে নেয়। তার পরেই ওই রাইফেল নিয়ে এই হামলা চালিয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পটনা
  • শেষ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ০৯:০২

উৎসবের আবহে রক্তারক্তি বিহারের রাজধানীতে। দীপাবলীর আগের দিন প্রকাশ্য দিবালোকে জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধে চলল এলোপাথাড়ি গুলি। এই ঘটনায় পটনার দিদারগঞ্জ থানা এলাকার হিরানন্দপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহতদের তড়িঘড়ি নালন্দা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।


স্থানীয় সূত্রে খবর, কৃষি জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে চাষের কাজ চলাকালীন দুই পক্ষের মধ্যে পুরনো জমি বিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে বচসা গড়ায় সংঘর্ষে, এরপরই শুরু হয় গুলিযুদ্ধ। এই ঘটনায় দ্বারিকাপ্রসাদ এবং তাঁর তিন ছেলে— ভোলা কুমার, সুধীর কুমার এবং কৌশল কুমার গুলিবিদ্ধ হন।


ঘটনায় সুরেন্দ্র, সানি, রাহুল এবং রঞ্জিত কুমারের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে। আহতদের পরিবারের দাবি, অভিযুক্তরা এক বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষীর হাত থেকে রাইফেল ছিনিয়ে নেয়। তার পরেই ওই রাইফেল নিয়ে এই হামলা চালিয়েছে।


আক্রান্ত পরিবারের তরফ থেকে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এই জমি বিবাদের বিষয়ে গত ১৭ অক্টোবর দিদারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, গত ২৬ অক্টোবর থানার এসএইচও তাঁদের সাহায্য করার বদলে উল্টে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং হুমকি দেন। এরপর তাঁরা পটনার এসএসপি কার্তিক কুমারের দ্বারস্থ হলে তিনি বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় দিদারগঞ্জ থানার পুলিশ। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। প্রমাণের খোঁজে ফরেনসিক টিমকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশের গাফিলতি এবং প্রকাশ্যে এহেন আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহারে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


Share