SBI

SBI-র সার্ভারে সাইবার হামলা! ডার্ক ওয়েবে ৩,৮৯৭টি রেকর্ড ফাঁস, খতিয়ে দেখছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক

SBI-তে সাইবার হামলার জেরে ৩,৮৯৭টি গ্রাহক রেকর্ড চুরির অভিযোগ। নাম, মোবাইল নম্বর, জন্মতারিখ, ইমেল, ঠিকানা ও ঋণ সংক্রান্ত তথ্য ডার্ক ওয়েবে প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১০

ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI)-র গ্রাহকদের তথ্য চুরির অভিযোগ ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। সাইবার হামলার জেরে হাজার হাজার গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে ডার্ক ওয়েবে প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক। বুধবার, ২১ অক্টোবর এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মোট ৩,৮৯৭টি গ্রাহক রেকর্ড চুরি হয়েছে। তবে ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল এবং আরও কোনও সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

SBI-এর গ্রাহকদের কোন কোন তথ্য চুরি হয়েছে?

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, চুরি হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে গ্রাহকদের নাম, মোবাইল নম্বর, জন্মতারিখ, ইমেল আইডি এবং বাড়ির ঠিকানা। এর পাশাপাশি ঋণ সংক্রান্ত বিভিন্ন রেকর্ডও সাইবার হামলাকারীদের হাতে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে নিয়োগ করেছে SBI। ঠিক কতটা তথ্য ফাঁস হয়েছে এবং কীভাবে এই নিরাপত্তা লঙ্ঘন ঘটল, তা জানার চেষ্টা চলছে।

ব্যাঙ্কের পরিষেবায় কী প্রভাব পড়েছে?

SBI-এর দাবি, এই সাইবার হামলার কারণে ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামোয় কোনও সমস্যা হয়নি। আর্থিক লেনদেন এবং ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মেও কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হামলার নেপথ্যে কারা?

সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত খবর প্রকাশকারী CyberPulse নামে একটি X অ্যাকাউন্টের দাবি, Siriusim নামে একটি হ্যাকার গোষ্ঠী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত। গত ১৬ অক্টোবর এই বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গ্রাহকদের কী সতর্কতা প্রয়োজন?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, অচেনা নম্বর থেকে আসা লিঙ্কে ক্লিক করা বা সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন। ঋণ, পুরস্কার কিংবা বিশেষ অফারের প্রলোভনে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না। ফোনে বা অনলাইনে কাউকে কখনও OTP, PIN কিংবা ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত গোপন তথ্য জানাবেন না। কোনও সন্দেহজনক বার্তা বা লেনদেন নজরে এলে দ্রুত ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। hash tag


Share