Terroist Arrest

দিল্লি-মুম্বইয়ে বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল পুলিশ, পাকিস্তানের সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার ন’জন

রেলস্টেশন, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য কৌশলগত স্থাপনাকে নিশানা করার ছক ছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। ধৃতরা বিদেশি হ্যান্ডলারদের কাছ থেকে নিয়মিত নির্দেশ পাচ্ছিল বলেও অভিযোগ।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ০৪:৩৫

ফের দেশের রাজধানী-সহ একাধিক শহরে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের অভিযানে বড়সড় নাশকতার ছক ফাঁস হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। এই ঘটনায় নয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ নেটওয়ার্কের যোগসূত্রের ইঙ্গিতও মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

তদন্তকারীদের দাবি, দিল্লি, মুম্বই-সহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় একযোগে হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। রেলস্টেশন, বিমানবন্দর এবং অন্যান্য কৌশলগত স্থাপনাকে নিশানা করার ছক ছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের। ধৃতরা বিদেশি হ্যান্ডলারদের কাছ থেকে নিয়মিত নির্দেশ পাচ্ছিল বলেও অভিযোগ।

অভিযানে অভিযুক্তদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক পিস্তল ও গ্রেনেড। তদন্তকারীদের অনুমান, সম্ভাব্য জঙ্গি হামলায় এগুলি ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল।

পুলিশের দাবি, এই চক্রের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগাযোগ ছিল। পাশাপাশি পাকিস্তানের আইএসআই-এর সম্ভাব্য ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে, অপরাধচক্র ও জঙ্গি নেটওয়ার্কের যৌথ মদতেই এই পরিকল্পনা এগোচ্ছিল।

দীর্ঘদিন নজরদারির পর বিভিন্ন রাজ্যে একযোগে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস, যোগাযোগ সংক্রান্ত তথ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়েছে। বর্তমানে তাদের মোবাইল ফোন, অনলাইন চ্যাট, আর্থিক লেনদেন ও বিদেশি যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্লিপার সেল গড়ে তোলার চেষ্টাও চলছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যুবকদের প্রভাবিত করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে সন্দেহ গোয়েন্দাদের।

দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের দাবি, এই মডিউলের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এগোলে আরও কয়েকজনের নাম সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।


Share