Rape

ফের নাবালিকা গণধর্ষণ ভোপালে, চারটি গাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, এসআইটি গঠন করেছে শুরু তদন্ত

ভোপাল পুলিশ সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী টিউশন থেকে বাড়ি ফিরছিল। অভিযোগ, সেই সময়ে তাকে জোর করে আসিফ আলি খান নামে এক যুবক একটি এসউভি-তে তুলে নেয়। গাড়িতেই ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোপাল
  • শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:৫১

ফের নাবালিকা গণধর্ষণের অভিযোগ। এ বার এই অভিযোগ উঠল ভোপালে। পুলিশ সূত্রের জানা গিয়েছে, প্রথমে নির্যাতিতাকে অপহরণ করা হয়। তার পরে চারটি ভিন্ন গাড়িতে আলাদা আলাদা স্থানে নিয়ে গিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবক লাগাতার ধর্ষণ করে। পাশাপাশি, ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নির্যাতিতার কাছ থেকে মোটা টাকা আদায়ের জন্য ব্ল্যাকমেলও করছিল তারা। ইতিমধ্যে দুই যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এসআইটি গঠন করে শুরু হয়েছে তদন্ত।

ভোপাল পুলিশ সূত্রের খবর, ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী টিউশন থেকে বাড়ি ফিরছিল। অভিযোগ, সেই সময়ে তাকে জোর করে আসিফ আলি খান নামে এক যুবক একটি এসউভি-তে তুলে নেয়।  গাড়িতেই ওই নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। পুরো ঘটনার ভিডিয়ো করে আসিফের বন্ধু মাজ খান।

পাশাপাশি, আরও অভিযোগ, পরে ওই ছাত্রীকে আলাদা একটি গাড়িতে ধর্ষণ করে মাজ খান। সেই ঘটনারও ভিডিয়ো তুলে রাখে তারা। এর পরে আসিফ আর মাজ আরও দু’টি গাড়িতে তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়ে ফের ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনও রকমে অভিযুক্ত নাবালিকাবাড়ি যান। তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ জানান। শুরু হয় তদন্ত।

অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার অঙ্কিত খাত্রাকরের নেতৃত্বে ভোপাল পুলিশ এসআইটি গঠন করেছে। তদন্তে নেমেই আসিফকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মাজ খানকেও গ্রেফতার করা হয়। ভোপালে তার একটি জিম রয়েছে। সেখান থেকেই তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আসিফ এবং মাজ ধর্ষণের ভিডিয়ো বন্ধুবান্ধবের মধ্যে শেয়ার করেছিলেন। নাবালিকাকে লাগাতার হুমকিও দেওয়া হত। গাড়িগুলি অভিযুক্ত দুই যুবক সেহোর গ্রামে লুকিয়ে রেখেছিলেন। তদন্তে নেমে চারটি গাড়িই বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

তবে এক পুলিশ কনস্টেবলের যোগসূত্র উঠে আসায় বিষয়টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। অভিযুক্ত মাজ খানের সঙ্গে কোহেফিজা থানার হেড কনস্টেবলের যোগাযোগ ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে মামলার অনেক গোপন তথ্য ফাঁস করার অভিযোগ উঠেছে। এর পরেই ওই কনস্টেবলকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।


Share