Jantar Mantar Protest

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞা, বিকল্প তিন জায়গা নির্ধারণ দিল্লি পুলিশের! ‘গোটা দেশই যন্তর মন্তর হবে’, হুঁশিয়ারি দিপকের

NC: দিল্লির যন্তর মন্তরে আর প্রতিবাদ কর্মসূচি করা যাবে না। বিক্ষোভের জন্য রাজধানীর তিনটি বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করে নির্দেশিকা জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রধান অভিজীত দিপকে হুঁশিয়ারি, “এ বার পুরো দেশই যন্তর মন্তর হবে।”

যন্তর মন্তরে সভা করতে নিষেধাজ্ঞা দিল্লি পুলিশের।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:০৮

রবিবার, ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের তরফে নির্দেশিকাটি প্রকাশ করা হয়। সোমবার তা প্রকাশ্যে আসে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত। যন্তর মন্তরের পরিবর্তে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত হয়েছে রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি মাঠ। এই তিন জায়গায় কর্মসূচি পালনের অনুমতি পাওয়ার পদ্ধতি ও অন্যান্য নিয়ম জানিয়ে শীঘ্রই স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) প্রকাশ করা হবে।

দিল্লি পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, পুরনো দিল্লির রামলীলা ময়দান যন্তর মন্তর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে। পূর্ব দিল্লির সিবিডি মাঠের দূরত্ব প্রায় ১৩.৫ কিলোমিটার। অন্য দিকে, উত্তর দিল্লির বুরারি মাঠ রয়েছে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দূরে। যন্তর মন্তরের আশপাশে একাধিক সরকারি দফতর থাকায় সেখানে বিক্ষোভ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ এপ্রিলের নির্দেশিকায় যন্তর মন্তরকেই প্রতিবাদের নির্দিষ্ট স্থান হিসাবে চিহ্নিত করেছিল দিল্লি পুলিশ। সম্প্রতি নিট কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সেখানে আন্দোলন করেছিল সিজেপি। এ বার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কর্মসূচির ডাক দেয় তারা। শনিবারের সেই কর্মসূচির আগে দলের নেতা-কর্মীদের আটক করে পুলিশ। অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানায় প্রশাসন।

সোমবার ফের যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা-নেত্রী। অনুমতি না মিললে আবার কর্মসূচির ডাক দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন দলের মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা।

এরই মধ্যে এক্স-এ পোস্ট করে দিপকে লেখেন, যন্তর মন্তর আর প্রতিবাদের জায়গা নয়। তাঁর অভিযোগ, “ভীতু একনায়কের কারণে তা যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এখন পুরো দেশ যন্তর মন্তর হবে।” পরে সমাজমাধ্যমে সিজেপি জানায়, যন্তর মন্তরেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির অনুমতি চেয়ে পুলিশকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে সই করেছেন দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। কবে কর্মসূচি করা যাবে, সেই সিদ্ধান্ত পুলিশের উপরেই ছেড়েছে দল।


Share