INDI Alliance

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের সমাবেশ, নিরাপত্তায় ১০ হাজার বাহিনী

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের সমাবেশ, নিরাপত্তায় মোতায়েন প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান।

রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের সমাবেশ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬ ১২:৪০

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিরোধী ইন্ডি জোট। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রামলীলা ময়দান চত্বর ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে চার হাজারের বেশি পুলিশ ও সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স (CAPF) জওয়ান। পাশাপাশি সেন্ট্রাল দিল্লি ও নিউ দিল্লি মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন রয়েছেন বলে খবর।

সমাবেশস্থলে নজরদারির জন্য বসানো হয়েছে ২০০-র বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা। দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, সিআরপিএফ (CRPF) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)। সকাল থেকেই বিরোধী জোটের নেতা-কর্মীরা রামলীলা ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন। পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে নিরাপত্তা বাহিনী।

দুই জায়গা থেকে জমায়েত, মিন্টো রোড হয়ে মিছিল

এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিরোধী শিবিরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাজাজি মার্গ ও কনস্টিটিউশন ক্লাবে আলাদা করে জমায়েত হওয়ার কথা। সেখান থেকে বাসে মিন্টো রোডে পৌঁছে মিছিল করে রামলীলা ময়দানের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে। দুপুর ১২টা নাগাদ সেন্ট্রাল দিল্লির মিন্টো রোড-কনট প্লেস জংশন থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা।

মিছিলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সনিয়া গান্ধী, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি, তেজস্বী যাদব ও অখিলেশ যাদবের মতো বিরোধী নেতাদের যোগ দেওয়ার কথা। একাধিক ছাত্রসংগঠনও মিছিলে অংশ নিতে পারে।

দুটি মঞ্চ, থাকবেন বিরোধী শিবিরের শীর্ষ নেতারা

রামলীলা ময়দানে তৈরি করা হয়েছে দুটি মঞ্চ। মূল মঞ্চে রাহুল গান্ধী, সনিয়া গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শরদ পাওয়ার ও অখিলেশ যাদবের মতো নেতাদের থাকার কথা। তবে দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, সমাবেশের অনুমতি থাকলেও প্রস্তাবিত মিছিলের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেই।

এদিকে, এই কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে না ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের এই কর্মসূচি রাজনৈতিক মহলে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর।


Share