Blast

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গাজিয়াবাদের পুলিশ ফাঁড়ি! দেওয়ালে ফাটল, জখম ডেলিভারি কর্মী, দায় স্বীকার ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের

ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান নামে একটি জঙ্গি সংগঠন। যদিও এই দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি পুলিশ।

হামলার পর ঘিরে ফেলা হয়েছে ঘটনাস্থল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজিয়াবাদ
  • শেষ আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ০১:১২

উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পুলিশ ফাঁড়ি। শুক্রবার রাতে বসুন্ধরা পুলিশ ফাঁড়িতে এই বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। বিস্ফোরণের অভিঘাতে ফাঁড়ির দেওয়ালে ফাটল ধরেছে, ভেঙে গিয়েছে জানলার কাচ। ঘটনায় এক ডেলিভারি কর্মী জখম হয়েছেন। ইতিমধ্যেই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান নামে একটি জঙ্গি সংগঠন। যদিও এই দাবির সত্যতা নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।


পুলিশ সূত্রে খবর, বিস্ফোরণের সময় ফাঁড়ির ভিতরে এক সাব-ইনস্পেক্টর ডিউটিতে ছিলেন। সেই সময়ই এক ডেলিভারি কর্মী একটি অর্ডার পৌঁছে দিতে সেখানে আসেন। আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটলে কাচের টুকরো ছিটকে তাঁর গায়ে লাগে। এর জেরে ওই কর্মী জখম হন। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তবে কী ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি।

বিস্ফোরণের পরেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় ফরেন্সিক দল। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের তীব্রতায় ফাঁড়ির একটি জানলা সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে। দেওয়ালেও ফাটল ধরেছে। শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড এবং অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াডের (এটিএস) একটি দল। বিস্ফোরণের উৎস এবং ব্যবহৃত বিস্ফোরকের ধরন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

অন্য দিকে, বিস্ফোরণের পরেই তেহরিক-উল-মুজাহিদিন হিন্দুস্তান নামে একটি জঙ্গি সংগঠন ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। ‘Ghazi 2’ নামে একটি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে পুলিশ ফাঁড়ি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিস্ফোরণকে ‘গেরুয়া সরকারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ’ বলেও দাবি করেছে ওই সংগঠন। যদিও সংগঠনের এই দাবির সত্যতা এখনও যাচাই করা যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয় পুলিশ বা প্রশাসনের তরফেও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ঘটনাটিকে জঙ্গি হামলা বলেও এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর পিছনে কোনও দুর্ঘটনা রয়েছে, নাকি পরিকল্পিত নাশকতার ছক, তদন্তকারীরা তা খতিয়ে দেখছেন। ইন্দিরাপুরমের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) সূর্যবলী মৌর্য জানিয়েছেন, ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পরেই বিস্ফোরণের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


Share