Arrest

প্রায় ছয় বছর পর গ্রেফতার পঞ্জাব পুলিশের প্রাক্তন AIG রাজজিৎ সিংহ, মাদক মামলায় অভিযুক্ত হয়ে ফেরার ছিলেন

আদালতের নির্দেশনার পরই পাতিয়ালায় পুলিশের কাছে তাঁর আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গ্রেফতারের পর তদন্তকারী সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতে পারে।

পঞ্জাব পুলিশের প্রাক্তন AIG রাজজিৎ সিংহ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পঞ্জাব
  • শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:৫৮

প্রায় ছয় বছর ধরে পলাতক থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হলেন পঞ্জাব পুলিশের প্রাক্তন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইন্সপেক্টর জেনারেল (AIG) রাজজিৎ সিংহ। মাদক-সংক্রান্ত মামলা এবং আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা রাজজিৎ সিংহ আজ বৃহস্পতিবার পাতিয়ালায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর অবস্থান নিয়ে তদন্ত চললেও এতদিন তিনি পুলিশের নাগালের বাইরে ছিলেন।

রাজজিৎ সিংহের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগগুলির সূত্রপাত বরখাস্ত পুলিশ ইনস্পেক্টর ইন্দরজিৎ সিংহকে ঘিরে তদন্ত থেকে। ইন্দরজিৎ সিংহের বিরুদ্ধে মাদক পাচার এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তদন্তে রাজজিৎ সিংহের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়।

তদন্তকারীদের দাবি, পুলিশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সময় রাজজিৎ সিংহের সিদ্ধান্ত ও কার্যকলাপের সঙ্গে ইন্দরজিৎ সিংহের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কিছু যোগসূত্র পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে রাজজিৎ সিংহের বিরুদ্ধে মাদক ও তোলাবাজি-সংক্রান্ত অভিযোগের পাশাপাশি আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তি থাকার অভিযোগেও মামলা দায়ের করা হয়। পঞ্জাব পুলিশের ভিজিল্যান্স ব্যুরো এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স পৃথকভাবে বিষয়গুলি তদন্ত করে। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলারও জারি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা যায়।

দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি রাজজিৎ সিংহের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে জানান যে তিনি আত্মসমর্পণ করতে প্রস্তুত। আদালতের নির্দেশনার পরই পাতিয়ালায় পুলিশের কাছে তাঁর আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গ্রেফতারের পর তদন্তকারী সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতে পারে।

রাজজিৎ সিংহের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি এখনও বিচারাধীন। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তাঁকে অভিযুক্ত হিসেবেই গণ্য করা হবে। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রকৃত ভিত্তি এবং মামলাগুলির পরবর্তী আইনি অবস্থাই এখন নজরে।


Share