Ram Mandir

রাম মন্দিরে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের পরে পদক্ষেপ, এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্রকে সিইও হিসেবে নিয়োগ করল ট্রাস্ট, সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বৈঠকে

ট্রাস্ট মনে করছে, প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন রয়েছে। মন্দির পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়গুলিরকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রাক্তন বায়ুসেনার কর্তা মিশ্রের নিয়োগের ফলে ট্রাস্ট একজন নির্দিষ্ট সিনিয়র আধিকারিক পাবে।

রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের পরে বড় সিদ্ধান্ত নিল শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট।
নিজস্ব সংবাদদাতা, অযোধ্যা
  • শেষ আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:০৪

রাম মন্দিরের অনুদান নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের পরে বড় সিদ্ধান্ত নিল শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। তাঁরা এই ট্রাস্টের সিইও হিসেবে এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্রকে নিয়োগ করেছে। জিতেন্দ্র বায়ুসেনায় ৩৮ বছর চাকরি করেছেন। তিনি বায়ুসেনায় যুদ্ধবিমানের পাইলট হিসেবে কাজ করেছেন। এ ছাড়াও, কমব্যাট ইনস্ট্রাক্টর এবং টেস্ট পাইলট হিসেবে বায়ুসেনার গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন।

প্রাক্তন এয়ার মার্শাল জিতেন্দ্র মিশ্র শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট তার প্রথম চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। রাম মন্দিরের প্রশাসনিক এবং অর্থ খরচের বিশেষটির ওপরে তদারকি আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই ট্রাস্ট এই নিয়োগ করেছে। ট্রাস্ট মনে করছে, প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন রয়েছে। মন্দির পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়গুলিরকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রাক্তন বায়ুসেনার কর্তা মিশ্রের নিয়োগের ফলে ট্রাস্ট একজন নির্দিষ্ট সিনিয়র আধিকারিক পাবে। তিনি দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার জন্য দায়বদ্ধ থাকবেন।

বুধবার অযোধ্যায় শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। বেশ কয়েক জন সদস্য সশরীরে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্তা জিতেন্দ্র মিশ্র ছাড়াও আরও তিন জনকে নতুন সদস্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। তাঁরা হলেন—  মদনমোহন পাণ্ডে, মহেশ ভাগচন্দকা এবং নির্মলা যাদব। তাঁরা ট্রাস্টের পরিচালন সমিতিতে যোগ দিতে চলেছেন। মদনমোহন পাণ্ডে অযোধ্যার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চলা রামমন্দির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আইনি লড়াইয়ে হিন্দু পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ভাগচন্দকা দিল্লির বাসিন্দা আর যাদব শিকোহাবাদের বাসিন্দা।

মন্দিরের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগের পরে ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই, ট্রাস্টি অনিল মিশ্র এবং আরও একজন পদাধিকারী পদত্যাগ করেছেন। মন্দিরের অনুদান নিয়ে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ট্রাস্টের অন্দরে বৃহত্তর পরিবর্তনের সময় এই নিয়োগগুলি করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, অনুদানের অর্থের অপব্যবহারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এর আগে আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিইও-কে ক্ষমতা কতটা ক্ষমতা দেওয়া হবে, তাঁর দায়িত্ব কী হবে, তা নিয়ে এ দিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ট্রাস্টের বিভিন্ন কমিটির মধ্যে সমন্বয়কে আরও উন্নত কীভাবে করা যায় তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রশাসনিক বিষয়গুলির পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিরাপত্তার বিষয়ে সমন্বয়ও আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।


Share