Recovery of Fake Notes

ইউটিউব দেখে জাল নকল ছাপানোর কৌশল! হায়দরাবাদে উদ্ধার ছ’কোটির বেশি জাল নোট, গ্রেফতার চার জন

জাল নোট ছাপানো এবং তা বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে জাল নোট তৈরির একাধিক সরঞ্জামও।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হায়দরাবাদ
  • শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ০৩:২৭

হায়দরাবাদে বড়সড় জাল নোট চক্রের পর্দাফাঁস করল পুলিশ। এই ঘটনায় মোট ৬ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে। জাল নোট ছাপানো এবং তা বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে জাল নোট তৈরির একাধিক সরঞ্জামও।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রামোজি ফিল্ম সিটির কাছে একটি সন্দেহজনক গাড়ি আটক করে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ৫০০ টাকার জাল নোট, যার মোট মূল্য ৮ লক্ষ টাকা। সেই সময় গাড়িতে থাকা চারজনকেই গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই সামনে আসে জাল নোট তৈরির কারবারের পর্দার আড়ালের কাহিনি।

পুলিশের দাবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন কনটেন্ট দেখে জাল নোট তৈরির কৌশল রপ্ত করেছিল অভিযুক্তরা। আসল নোট স্ক্যান করে সফটওয়্যারের সাহায্যে তার ছবি এডিট করত তারা। এরপর সেই নকশা ব্যবহার করে একটি ভাড়াবাড়িতে চলত জাল নোট ছাপানোর কাজ। ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ জাল নোট। পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে প্রিন্টার, ল্যাপটপ, ল্যামিনেশন মেশিন-সহ জাল নোট তৈরির নানা সরঞ্জাম।

তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা ভুয়ো পরিচয়পত্র, ওয়াকি-টকি এবং নকল পিস্তল ব্যবহার করে নিজেদের পুলিশকর্মী বলে পরিচয় দিত। সেই পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই জাল নোট চক্রের জাল শুধু হায়দরাবাদেই সীমাবদ্ধ নয়। এর পিছনে আরও বড় কোনও চক্র কাজ করছে কি না, কিংবা এই কারবারে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।


Share