Delhi Protest

দিল্লির বিক্ষোভে কড়া নজরদারি! আন্দোলনস্থলে চালু ফেস রেকগনিশন সিস্টেম, তিন দিনে আড়াই হাজার সন্দেহভাজনকে শনাক্তের দাবি পুলিশের

পুলিশ সূত্রের দাবি, মুখ চিহ্নিতকরণ প্রযুক্তির সাহায্যে ২১ থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই দু'হাজার ৫০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড রয়েছে।

দিল্লির বিক্ষোভে আন্দোলনস্থলে চালু ফেস রেকগনিশন সিস্টেম।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৮

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি এবং আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিক্ষোভস্থলে নজরদারি আরও জোরদার করল পুলিশ। কে বিক্ষোভস্থলে আসছেন, কে সেখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তা শনাক্ত করতে এ বার মোতায়েন করা হয়েছে ‘ফেসিয়াল রেকগনিশন সিস্টেম’। পুলিশের দাবি, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে কোনও দুষ্কৃতী বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি আন্দোলনস্থলে প্রবেশ করছে কি না, তা চিহ্নিত করতেই এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রের দাবি, মুখ চিহ্নিতকরণ প্রযুক্তির সাহায্যে ২১ থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই দু'হাজার ৫০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড রয়েছে। ২০ জুলাই যন্তর মন্তরে যে অশান্তি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি এড়াতেই সম্ভাব্য হামলাকারী ও গোলমালকারীদের চিহ্নিত করতে এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করেছে দিল্লি পুলিশ।

পুলিশের দাবি, আন্দোলনের ভিড়ে পরিকল্পিতভাবে বহু দুষ্কৃতী ঢুকে পড়েছিল। অভিযোগ, তারা ছুরি-সহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশকর্মীদের উপর হামলা চালায়। গত তিন দিনে এমন আড়াই হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রতিবাদস্থলের মূল প্রবেশ ও প্রস্থানপথে ‘ফেস রেকগনিশন সিস্টেম’ বসানো হয়েছে। পাশাপাশি, আন্দোলনস্থলের আশপাশে আরও দু’টি এফআরএস ক্যামেরা মোতায়েন করা হয়েছে, যা সরাসরি দিল্লি পুলিশের ডেটাবেসের সঙ্গে যুক্ত। এর মাধ্যমে ভিড়ের মধ্যে কোনও দাগি অপরাধী বা অপরাধমূলক অতীত রয়েছে এমন ব্যক্তি অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন কি না, তার উপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ১৫টি এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, তাঁদের শনাক্ত করার কাজও জোরকদমে চলছে বলে পুলিশ সূত্রে দাবি।


Share