Coal Scam

কয়লাপাচার মামলায় ঝাড়খন্ডে ম‍্যারাথন তল্লাশি অভিযান, উদ্ধার বিপুল নগদ, ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

ঝাড়খন্ডের ধানবাদের কয়লা বলয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি কয়লা চুরি, তোলাবাজি এবং তা পাচার করে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। কয়লাপাচার মামলায় চলমান চদন্তের অংশ হিসেবেই এই অভিযানটি চালানো হয়েছে বলে বলে জানা গিয়েছে।

কয়লাপাচার মামলায় ঝাড়খল্ডে ইডির তল্লাশি অভিযান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, রাঁচী
  • শেষ আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৬ ১২:৪১

ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে কয়লা মাফিয়া অনিল গোয়েল এবং তাঁর সহযোগী এল বি সিংহ এবং হরেন্দ্র চৌহানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডি সূত্রের খবর, তল্লাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা এবং কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকে ঝাড়খন্ডের ৩১টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইন (পিএমএলএ) ২০০২- এর অধীনে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকেরা তল্লাশি চালান। অভিযোগ, অনিল গোয়েল, এল বি সিংহ এবং হরেন্দ্র চৌহানেরা অবৈধ ভাবে কয়লা উত্তোলন করেছেন। তা পাচার করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন। তার মধ্যে বিরাট অঙ্কের টাকা বিদেশে পচার করেছেন। সেই মামলার তদন্তেই ইডির আধিকারিকেরা তল্লাশি অভিযান চালান বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি গণেশ যাদব, শেখর যাদব, রোহিত যাদব, মাধব সিংহ, লক্ষ্মণ দুবে ওরফে পাপ্পু, পাপ্পু মন্ডল, অরুণ চৌহান, ইমতিয়াজ আলি এবং মহেন্দ্রপ্রসাদ সিংহের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এ ছাড়াও, রীতেশ শর্মা নামে এক অ‍্যাকাউন্টেন্ট এবং ডি এন সিংহ নামে এক চাটার্ড অ্যাকাউন্টের বাড়িতেও কয়লাপাচার মামলায় ইডি তল্লাশি চালিয়েছে।

ইডি সূত্রের খবর, বুধবার দিনভর ৩১টি ঠিকানায়  তল্লাশি চালিয়ে এক কোটি ২০ হাজার টাকা নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রায় ১৬০ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করার নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, ওই কয়লাপাচার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের ৬০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সম্পত্তির নথিপত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

ঝাড়খন্ডের ধানবাদের কয়লা বলয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি কয়লা চুরি, তোলাবাজি এবং তা পাচার করে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। কয়লাপাচার মামলায় চলমান চদন্তের অংশ হিসেবেই এই অভিযানটি চালানো হয়েছে বলে বলে জানা গিয়েছে।

ইডি সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের একটি পুরোনো মামলার সূত্র ধরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই সময় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিসিসিএলের কয়লা অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জড়িত অনুরূপ চক্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।


Share