Hardeep Singh Puri

ই-২০ পেট্রল নিয়ে ‘ভুল রিপোর্টিং’-এর জেরেই বিভ্রান্তি, ইঞ্জিনের ক্ষতি ও মাইলেজ বিতর্কে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর

ই-৮৫ জ্বালানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, ‘ই-৮৫ চালু হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। নতুন পেট্রল পাম্প-সহ প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে।’

কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ ০২:৩৪

ই-২০ পেট্রল ব্যবহারে ইঞ্জিনের ক্ষতি এবং মাইলেজ কমে যাওয়ার অভিযোগ ঘিরে বিতর্কের আবহেই ফের মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তাঁর দাবি, ই-২০ জ্বালানিকে ঘিরে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ ‘ভুল রিপোর্টিং’ এবং ‘ভুল ব্যাখ্যা’।

মন্ত্রী বলেন, “ই-২০ নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ কোটি দু’চাকার এবং ২০ লক্ষ চারচাকার যানবাহন এই জ্বালানি ব্যবহার করছে। গাড়ি নির্মাতা সংস্থা থেকে শুরু করে সার্ভিসিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞরা সকলেই জানাচ্ছেন, ই-২০ ব্যবহারে কোনও সমস্যা নেই। তা হলে এখন হঠাৎ এত বিতর্ক কেন?”

হরদীপ পুরী জানান, ভারতে ই-২০ নতুন কোনও জ্বালানি নয়। ‘গত সাড়ে তিন বছর ধরে দেশে ই-১৫ ব্যবহার হচ্ছে। আর ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ই-২০ চালু হয়েছে। অর্থাৎ ই-২০ ব্যবহারের এক বছরেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এখন যদি কেউ মনে করেন খুব তাড়াতাড়ি ই-২৫ চালু হতে চলেছে, তাহলে সেটা ঠিক নয়। আমরা এখনও পরীক্ষাচালাচ্ছি। সেই পরীক্ষাগুলি শেষ হতে সময় লাগবে।’

ই-২৫ নিয়ে কেন্দ্র কী ভাবছে, সে বিষয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। মন্ত্রীর জানান, ‘পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে আসার পর আমরা তা মূল্যায়ন করব। তার পরে সব অংশীদার এবং গাড়ি নির্মাতা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা হবে। আমি গাড়িও তৈরি করি না, জ্বালানিও তৈরি করি না। গাড়ি নির্মাতা সংস্থাগুলিই ই-২০ জ্বালানি নিয়ে স্বস্তিতে রয়েছে। প্রত্যেকেই এ বিষয়ে নিজেদের মত জানিয়েছে।’

ই-৮৫ জ্বালানির প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, ‘ই-৮৫ চালু হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। নতুন পেট্রল পাম্প-সহ প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে।’

পেট্রলে ইথানল মিশ্রণের নীতি গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হল অপরিশোধিত তেলের আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো, কার্বন নির্গমন হ্রাস করা এবং দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা। সেই লক্ষ্যে ধাপে ধাপে দেশজুড়ে ই-২০ পেট্রল চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আগে গাড়ি নির্মাতা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও কার্যকারিতা পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছিল।


Share