TATA Sons

৪০ হাজার কোটি ডলারের টাটা সাম্রাজ্যে বড় পরিবর্তন! চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন চন্দ্রশেখরন, টাটা ট্রাস্টসের সঙ্গে টানাপড়েন ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

এর আগে চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগ নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সেবামূলক শাখা টাটা ট্রাস্টস আপত্তি জানিয়েছিল। টাটা ট্রাস্টস ও টাটা সন্সের মধ্যে টানাপড়েনের জেরেই চন্দ্রশেখরন পদত্যাগ করেছেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।

টাটা সন্স-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এন চন্দ্রশেখরন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬ ০১:৫২

টাটা শিল্পগোষ্ঠীতে ফের ডামাডোলের ইঙ্গিত। টাটা সন্স-এর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এন চন্দ্রশেখরন। রয়টার্স সূত্রে এই খবর প্রকাশ্যে এসেছে। তবে ইস্তফা দিলেও তিনি আগামী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন। ওই মাসেই তাঁর বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। অর্থাৎ, পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেও মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত টাটা সন্সের শীর্ষ পদে থেকেই চন্দ্রশেখরন দায়িত্ব সামলাবেন।

চন্দ্রশেখরন কেন পদত্যাগ করলেন, সে বিষয়ে এখনও টাটা গোষ্ঠীর তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে টাটা গোষ্ঠী যখন নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেই সময়ে তাঁর ইস্তফাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগ নিয়ে টাটা গোষ্ঠীর সেবামূলক শাখা টাটা ট্রাস্টস আপত্তি জানিয়েছিল। টাটা ট্রাস্টস ও টাটা সন্সের মধ্যে টানাপড়েনের জেরেই চন্দ্রশেখরন পদত্যাগ করেছেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।

প্রায় ৪০ হাজার কোটি আমেরিকান ডলারের টাটা গোষ্ঠীর মূল নিয়ন্ত্রক সংস্থা টাটা সন্স। টিসিএস, টাটা মোটরস, এয়ার ইন্ডিয়া-সহ প্রায় ৩০টি সংস্থার পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই সংস্থার। টাটা সন্স-এর ৬৬ শতাংশ অংশীদারি টাটা ট্রাস্টসের হাতে রয়েছে। চন্দ্রশেখরনের মেয়াদবৃদ্ধি নিয়েও টাটা সন্সের অন্দরে মতবিরোধের ইঙ্গিত মিলেছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে চেয়ারম্যান পদে তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই সময় টাটা ট্রাস্টস-এর চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা চন্দ্রশেখরনের মেয়াদবৃদ্ধির বিরোধিতা করেছিলেন। নোয়েলের অবস্থান ছিল, টাটা সন্স যেন শেয়ার বাজারে নথিভুক্ত না হয়। তবে সূত্রের দাবি, নোয়েলের এই শর্ত মেনে চন্দ্রশেখরন এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি হননি। ফলে টাটা সন্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দুই শীর্ষ কর্তার মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল বলেই ইঙ্গিত মিলেছে।


Share