Chandigarh Shooting

পুরনো বচসার ভয়াবহ পরিণতি! চণ্ডীগড়ে অটোরিকশা লক্ষ্য করে গুলি, প্রাণ গেল নাবালক ছাত্রের

পুরনো বচসার জেরে চণ্ডীগড়ে অটোরিকশা লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগ পরিচিত বন্ধুর বিরুদ্ধে। বুকে গুলি লেগে মৃত্যু নাবালক ছাত্র নৈতিকের, জখম অটোচালকও।

প্রতীকী ছবি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৪০

পুরনো বিবাদের জেরে রক্তাক্ত চণ্ডীগড়ের রাস্তা। পরিচিত বন্ধুর সঙ্গে বচসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল নাবালক ছাত্র নৈতিকের। বৃহস্পতিবার রাতে চণ্ডীগড়ের সেক্টর ২২ এলাকায় অটোরিকশা লক্ষ্য করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে এক নাবালকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন অটোরিকশার চালকও। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা আগে সেক্টর ৩৪ এলাকায় নৈতিকের সঙ্গে তার পরিচিত এক বন্ধুর বচসা বাধে। অভিযোগ, সেই সময় নৈতিক ও তার কয়েকজন সঙ্গী ওই বন্ধুকে মারধর করে। শুধু তাই নয়, মারধরের ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এরপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় নৈতিক ও তার সঙ্গীরা।

এরপর নৈতিক ও তার এক বন্ধু অটোরিকশায় চেপে সেক্টর ২২ এলাকায় ফিরছিল। সেই সময় অভিযুক্ত নাবালক আরও দুই সঙ্গীকে নিয়ে মোটরবাইকে তাদের ধাওয়া করে বলে অভিযোগ। বিপদ বুঝতে পেরে অটোরিকশার চালককে দ্রুত গাড়ি চালানোর নির্দেশ দেয় নৈতিক।

কিন্তু সেক্টর ২২ এলাকার সনাতন ধর্ম মন্দিরের কাছে অটোরিকশার সামনে চলে আসে মোটরবাইকটি। অভিযোগ, এরপরই বন্দুক বের করে অটোরিকশা লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি চালায় অভিযুক্ত। তার মধ্যে একটি গুলি অটোরিকশার উইন্ডস্ক্রিন ভেদ করে চালকের কাঁধে লাগে। অন্য একটি গুলি লাগে নৈতিকের বুকে। তৃতীয় গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান অটোরিকশায় থাকা নৈতিকের বন্ধু।

গুলির শব্দ শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই আহত নৈতিক ও অটোরিকশার চালককে উদ্ধার করে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নৈতিককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ, অটোরিকশার ড্যাশক্যামের ছবি এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে অভিযুক্তের খোঁজ মেলে। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার নেপথ্যে পুরনো বিবাদ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মারধরের ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share