Bus Accident

নেপালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, পাহাড়ি নদীতে তলিয়ে গেল বাস, ১৭ জনের মৃত্যু, চলছে উদ্ধারকাজ

সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র বিষ্ণু প্রসাদ ভট্ট জানান, বাসটি পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। স্থানীয় সময় রাত দেড়টা নাগাদ, রাজধানী থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে পৃথ্বী হাইওয়ের ওপর দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে সরাসরি পাহাড়ি নদীর গভীরে তলিয়ে যায়।

নেপালে বাস দুর্ঘটনা
নিজস্ব সংবাদদাতা, নেপাল
  • শেষ আপডেট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:৩০

নেপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার গভীর রাতে ধাদিং জেলার গজুরি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ত্রিশূলী নদীতে পড়ে গেলে এই ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, অতিরিক্ত গতির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর মুখপাত্র বিষ্ণু প্রসাদ ভট্ট জানান, বাসটি পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। স্থানীয় সময় রাত দেড়টা নাগাদ, রাজধানী থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পশ্চিমে পৃথ্বী হাইওয়ের ওপর দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে সরাসরি পাহাড়ি নদীর গভীরে তলিয়ে যায়।

অন্ধকারের কারণে শুরুতে উদ্ধারকাজে কিছুটা সমস্যা হলেও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী এবং নেপাল পুলিশর বিশেষ দল।

এখনও পর্যন্ত নদী থেকে ১৭টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের এক নাগরিক রয়েছেন। দুর্ঘটনায় অন্তত ২৬ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জাপান ও নেদারল্যান্ডসের দুই মহিলা পর্যটকও রয়েছেন। আহতদের গজুরি ও কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, অতিরিক্ত গতির জেরেই চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। নেপালের পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তায় রাতের অন্ধকারে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোই এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। নদীর স্রোতে কেউ ভেসে গিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে এখনও জোরকদমে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে।


Share