Bengaluru Hotel Electrocution

বেঙ্গালুরুর পাঁচতারা হোটেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, সুইমিং পুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত দুই বিদেশি, জখম আরও দু’জন

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৫৭ বছর বয়সি জার্মান নাগরিক আলেকজান্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ান থেইস। তিনি বিমান সংস্থা লুফথানসার ক্রু-মেম্বার ছিলেন। অপর মৃত ব্যক্তি ৪৫ বছর বয়সি স্লোভাক নাগরিক ইউরাই হোরভাট।

বেঙ্গালুরুরর একটি পাঁচতারা হোটেল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১০

বেঙ্গালুরুর একটি পাঁচতারা হোটেলের সুইমিং পুলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল দুই বিদেশি নাগরিকের। শুক্রবার উলসুর এলাকার কনরাড হোটেলের সুইমিং পুলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুই পর্যটককে উদ্ধার করতে গিয়ে আহত হয়েছেন আরও এক বিদেশি নাগরিক এবং হোটেলের এক কর্মী। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে আহতদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে চিকিৎসক সূত্রে জানা গিয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৫৭ বছর বয়সি জার্মান নাগরিক আলেকজান্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ান থেইস। তিনি বিমান সংস্থা লুফথানসার ক্রু-মেম্বার ছিলেন। অপর মৃত ব্যক্তি ৪৫ বছর বয়সি স্লোভাক নাগরিক ইউরাই হোরভাট। হোটেলের সুইমিং পুলে তাঁদের অস্বাভাবিক অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন দুই কর্মী।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন ৪১ বছর বয়সি আমেরিকার নাগরিক ম্যাথিউ ডিসান্টিস এবং হোটেলের পুল অ্যাটেনডেন্ট ও লাইফগার্ড ২৮ বছর বয়সি রাহুল তিওয়ারি। দুই বিদেশি নাগরিককে উদ্ধার করতে গিয়েই তাঁরা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। পরে চার জনকেই উদ্ধার করে মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা আলেকজান্ডার ও ইউরাইকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত দুই কর্মীর চিকিৎসা চলছে। আপাতত তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনায় বেঙ্গালুরুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বেঙ্গালুরু পুলিশের পূর্ব বিভাগের ডিসিপি জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে হোটেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।

প্রাথমিক অনুমান, সুইমিং পুল এলাকায় শর্ট সার্কিটের জেরেই এই বিপত্তি ঘটে থাকতে পারে। তবে ঠিক কোথা থেকে বিদ্যুতের সংযোগে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুইমিং পুলের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাবিধি খতিয়ে দেখে ঘটনার কারণ নির্ধারণের চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্ত শেষ হলে দুর্ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


Share