Middle East Conflict

হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকা-ইরান সংঘাত তুঙ্গে! আলোচনার দাবি উড়িয়ে দিল তেহরান, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ‘সমঝোতা করুন, না হলে আত্মসমর্পণ করুন'

সোমবার দেশটির বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনও স্তরেই আলোচনা চলছে না। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে আমেরিকাকে কড়া সতর্কবার্তাও দিয়েছেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজস্ব সংবাদদাতা, আমেরিকা
  • শেষ আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৬ ১২:৩৪

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, সোমবার সন্ধ্যায় (ওয়াশিংটন সময়) আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা। তবে সেই দাবি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে ইরান। সোমবার দেশটির বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বর্তমানে কোনও স্তরেই আলোচনা চলছে না। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে আমেরিকাকে কড়া সতর্কবার্তাও দিয়েছেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।

সোমবার ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘‘হরমুজ় প্রণালীর কৌশলগত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা ওমানের সঙ্গে আলোচনা করছি। জানিয়ে দিয়েছি, যত দিন আমেরিকা নৌ-অবরোধ চালাবে, তত দিন আমাদের অবস্থান বদল হবে না।’’ বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে চলাচলকারী জাহাজগুলিকে ইরানের নির্ধারিত রুট মেনে চলতে হবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, ওই রুট ব্যবহার করতে হলে আগাম অনুমতি নিয়ে নির্দিষ্ট ‘সার্ভিস ফি’ জমা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন বাঘাই। তেহরানের এই বার্তার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘‘হয় সমঝোতা করুন অথবা পুরোপুরি আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুত থাকুন।’’

ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের মন্তব্যের পরই সমাজমাধ্যমে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ‘ইরান দু’মুখো অবস্থান নিয়েছে। প্রকাশ্যে কোনও আলোচনা চলছে না বলে অস্বীকার করার আগে তারাই আলোচনার জন্য অনুরোধ করেছিল। ইরান তা স্বীকার করতে চাক বা না চাক, আমরা আসলে এমন একটি সমস্যার সমাধান নিয়ে কথা বলছি, যা তারাই কয়েক দশক ধরে সৃষ্টি করেছে।”

হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের দাবিকেও উড়িয়ে দেন ট্রাম্প। তাঁর কথায়, “তারা চিরাচরিত বাগাড়ম্বর চালিয়ে যাচ্ছে। বলেছে যে, হরমুজ প্রণালী তাদের হাতে পরিচালিত হবে। অথচ এটি ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ ভাবে আমেরিকার নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।’’


Share