American Politics

মিড টার্মে ধাক্কার পর হোয়াইট হাউসে বড় রদবদল! সুসি ওয়াইলসকে সরিয়ে নতুন চিফ অফ স্টাফ স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ ট্রাম্পের

শুক্রবার নিজের সমাজমাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প। আগামী ৯ নভেম্বর, সোমবার থেকে নতুন দায়িত্ব সামলাবেন মিলার।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, আমেরিকা
  • শেষ আপডেট: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ১২:৪৬

আমেরিকার মিড টার্ম নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কার মুখে পড়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরই হোয়াইট হাউসের প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল ঘটালেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। বিদায়ী চিফ অফ স্টাফ সুসি ওয়াইলসের পরিবর্তে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে স্টিফেন মিলারকে নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। শুক্রবার নিজের সমাজমাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ট্রাম্প। আগামী ৯ নভেম্বর, সোমবার থেকে নতুন দায়িত্ব সামলাবেন মিলার।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত স্টিফেন মিলার এতদিন হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অফ স্টাফ পদে ছিলেন। প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। টানা চার বছর প্রেসিডেন্টের সিনিয়র অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করেছিলেন মিলার। দ্বিতীয়বার ট্রাম্প ক্ষমতায় ফেরার পর তাঁকে ডেপুটি চিফ অফ স্টাফের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে অভিবাসন নীতি, সীমান্ত সুরক্ষা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের নেপথ্যে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের পোস্টে মিলারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প। তাঁকে বিশ্বস্ত এবং দক্ষ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে বিদায়ী চিফ অফ স্টাফ সুসি ওয়াইলসের কাজেরও প্রশংসা করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফার প্রশাসনে চিফ অফ স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সুসি। হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে প্রথম মহিলা চিফ অফ স্টাফ ছিলেন তিনি। প্রশাসনিক পদ থেকে সরে গেলেও দলের হয়ে তাঁর কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, মিড টার্ম নির্বাচনের ফলাফল রিপাবলিকান শিবিরের কাছে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোগীকে বসিয়ে আরও শক্ত হাতে সরকার পরিচালনার বার্তা দিতে চাইছেন ট্রাম্প। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, অভিবাসন ও সীমান্ত নীতিতে মিলারের কড়া অবস্থান আগামী দিনে আমেরিকার প্রশাসনের নীতিনির্ধারণে আরও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে।


Share