Bangladesh Turmoil

বাংলাদেশে ব্যাবসায়ী হিন্দু যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ, হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু, গত ২৪ ঘন্টায় অরাজকতা বলি দু’জন

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সোমবার রাত ৯টা নাগাদ চরসিন্দুর বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানেই শরতের একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে। সেখানেই কয়েক জন দুষ্কৃতী আচমকা হিন্দু যুবককের ওপর চড়াও হয়।

মৃতের নাম শরৎমণি চক্রবর্তী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:১১

বাংলাদেশে আবার আক্রান্ত হিন্দু যুবক। যশোরের পরে নবসিংদী। ওই জেলার পলাশ থানা এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। মৃত যুবকের নাম শরৎমণি চক্রবর্তী। তিনি পেশায় ব‍্যব্যবসায়ী। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে একদল দুষ্কৃতী শরতের ওপর চড়াও হয়। ছুরি দিয়ে কোপানো হয়েছে তাঁকে। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সোমবার রাত ৯টা নাগাদ চরসিন্দুর বাজার এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানেই শরতের একটি মুদিখানার দোকান রয়েছে। সেখানেই কয়েক জন দুষ্কৃতী আচমকা হিন্দু যুবককের ওপর চড়াও হয়। এর পরে তাঁকে ছুরি দিয়ে পরপর কোপ মারা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়েরা শরতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করে।

ঘটনার নেপথ্যে কারণ কী, তা স্পষ্ট করেনি পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় যশোরে বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে দেওয়া হয়। সেই দিনই আরেক হিন্দু যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটল।

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সোমবার রাতের ওই ঘটনা প্রসঙ্গে পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুম জানান, মৃতের দেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, পিছন দিক থেকে ধারলো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে শরতকে। পলাশ থানার ওসি বলেন, “হত্যার কারণ জানতে তদন্ত চলছে। আশা করছি দ্রুত তদন্ত শেষ হবে।” যদিও পুলিশের ওপর ভরসা নেই বলছে মৃতের পরিবার।

সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশে ইসলামিক সংগঠনের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যু হয়। তার পর থেকে বাংলাদেশ জুড়ে অরাজকতা চলছে। ভালুকার হিন্দু যুবক দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুন করে মৃতদেহে আগুন ধরিয়ে দেয় ইসলামিক দুষ্কৃতীরা। শরিয়তপুরে হিন্দু প্রৌঢ়কে কুপিয়ে মুখে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চলে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছে ভারত। দীপুহত্যায় বিচারের দাবিতে সরব হয় দিল্লি। সেদেশের হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত সরকার। যদিও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ময়মনসিংহের ঘটনাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেই ব্যাখ্যা করছিল।


Share