Plane Hijack

মাঝ আকাশে ‘৭৭০০’, তার পরেই ‘৭৫০০’! হাইজ্যাকের আশঙ্কায় যুদ্ধবিমান ওড়াল ইজরায়েল, শেষমেশ সৌদিতে জরুরি অবতরণ ফ্লাইদুবাইয়ের

এফজেড১০৭৩ নম্বরের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমানটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ও কর্মী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে।

ফ্লাই দুবাইয়ের বিমান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, সৌদি আরব
  • শেষ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:২৮

মাঝ আকাশে পর পর জরুরি সংকেত পাঠানোকে ঘিরে তৈরি হল হাইজ্যাকের আশঙ্কা। বুধবার দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বাণিজ্যিক বিমান সৌদি আরবের আকাশসীমায় ঢোকার পর এই ঘটনা ঘটে। এফজেড১০৭৩ নম্বরের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমানটিতে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ও কর্মী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য এবং ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি প্রথমে ‘৭৭০০’ স্কোয়াউক কোড পাঠায়। সাধারণত কোনও গুরুতর জরুরি পরিস্থিতিতে এই কোড ব্যবহার করা হয়। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘৭৫০০’ কোড পাঠানো হয়, যা বিমানে বেআইনি হস্তক্ষেপ বা হাইজ্যাকের আশঙ্কা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। পর পর এই দুই সংকেত পাওয়ার পর ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে ইজরায়েল বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমানও আকাশে পাঠায়।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক করেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে পরে স্পষ্ট হয়, বিমানটি হাইজ্যাক করা হয়নি। ‘টাইমস অফ ইজরায়েল’-এর প্রতিবেদনেও হাইজ্যাকের আশঙ্কা খারিজ করা হয়েছে।

প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে, ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে উত্তপ্ত বিবাদ বা হাতাহাতির জেরেই জরুরি সংকেত সক্রিয় হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে বিমানটি ওই সংকেত পাঠিয়েছিল এবং কেন তার গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছিল, তা এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে তেল আভিভগামী বিমানে এই ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বিমানটির সমস্ত যাত্রী ও কর্মী নিরাপদে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। 


Share