Middle East Conflict

মক্কা লক্ষ‍্য করে পরপর দুটি মিসাইল ছুড়ল হুথি, দাবি সৌদি আরবের, অভিযোগ অস্বীকার ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠীর

তা প্রতিহত করার পর বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসাবশেষ এসে পড়েছে। যদিও মক্কা ও মদিনাকে নিশানা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। সৌদি আরবের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মক্কা
  • শেষ আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১২:০২

সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স বিভাগের দাবি, ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিরা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। তা প্রতিহত করার পর বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসাবশেষ এসে পড়েছে। যদিও মক্কা ও মদিনাকে নিশানা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। সৌদি আরবের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছে।

সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, মক্কার বাইরে ওয়াদি মুঘামাস, জেদার আল-নুজহা এলাকা, তাইফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিঘের একটি জনবসতিহীন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। এর আগে মক্কা-সহ পশ্চিম সৌদি আরবের চারটি প্রদেশে সম্ভাব্য বিপদের সতর্কতা জারি করেছিল সৌদির সরকার। একই সঙ্গে ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তারা।

ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তার দাবি, মক্কা পবিত্র শহর। ফলে মদিনাকে নিশানা করার দাবি সম্পূর্ণ 'মিথ্যা'।

এর আগে হুথিরা জানিয়েছিল, শুক্রবার ও শনিবার সৌদি আরবের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, রিয়াধের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে দুই পর্যায়ে নিশানা করা হয়। পাশাপাশি দম্মাম ও নাজরান বিমানবন্দর, দক্ষিণের খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি এবং অপরিশোধিত তেল পরিবহণের পাম্পিং স্টেশন ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে যাওয়া তেলের পাইপলাইনেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

এদিকে, ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকার শনিবার দাবি করেছে, দক্ষিণের বন্দর শহর এডেনে উপকূলরক্ষী বাহিনীর পরিকাঠামো লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি।

অশান্তি চরমে ওঠার কারণে ২০২২ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির শর্ত ভেঙে পড়েছে। ওই সমঝোতার ফলে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথিদের মধ্যে সীমান্তপারের হামলা অনেকটাই কমেছিল। বর্তমানে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন করছে সৌদি-নেতৃত্বাধীন জোট। অন্য দিকে, সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের হাতে রাজধানী সানার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। সংঘর্ষের এই নতুন পর্বে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।


Share