Nana Patekar Death

অভিনেতার মৃত্যুতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় পুলিশ

৭৫ বছর বয়সি অভিনেতা নানা পটেকরের মৃত্যুর ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে গোয়া পুলিশ। হৃদরোগে মৃত্যুর প্রাথমিক দাবি থাকলেও, প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।

নানা পটেকর।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:১৫

৭৫ বছর বয়সি বলিউড অভিনেতা নানা পটেকরের মৃত্যুর ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করল গোয়া পুলিশ। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৯৪ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবারই অভিনেতার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় তদন্তকারীরা। যদিও অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের হওয়া মানেই মৃত্যুর পিছনে কোনও অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে, এমনটা নয়।

কী কারণে পুলিশের তদন্ত?

পুলিশ সূত্রে খবর, ৮ অক্টোবর সকালে বাম্বোলিমের মণিপাল হাসপাতালের তরফে পানাজি থানায় খবর দেওয়া হয়। গোয়ার ডোনা পাউলার ওসান পার্কে নিজের বাড়ি থেকে নানানাপটেকরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এরপরই নিয়ম মেনে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে পুলিশ।

তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন সাব-ইনস্পেক্টর নীতিন নায়েক। চিকিৎসক এবং অভিনেতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা।

রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেতা

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন নানা পটেকর। হাসপাতালের চিকিৎসক শেখর সালকারের বক্তব্য অনুযায়ী, রাত ২টো ৩০ মিনিট নাগাদ এক বন্ধুকে মেসেজ করে শরীর খারাপ লাগার কথা জানিয়েছিলেন অভিনেতা। শরীরের বাঁ দিকে ব্যথা হওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

বন্ধু সময়মতো সেই মেসেজ দেখতে পাননি। পরে ভোর ৪টে নাগাদ বাড়িতে পৌঁছে অভিনেতাকে হাঁপাতে ও ঘামতে দেখেন। খবর পেয়ে চিকিৎসক ও অ্যাম্বুল্যান্স সেখানে পৌঁছয়। বাড়িতেই অভিনেতাকে সিপিআর দেওয়া হয়। পরে তাঁকে মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত ঘোষণা করা হয়।

চিকিৎসকদের প্রাথমিক দাবি, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। তিনি হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন এবং নিয়মিত ওষুধ খেতেন বলেও জানা গিয়েছে। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। এখন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পেতে চাইছে পুলিশ।


Share