Assembly Election

২০১১-র রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক, প্রথম দফায় নজিরবিহীন ভোট, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে সব দলকে ধন্যবাদ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক

ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানো হয়েছিল। যদিও এখনও বহু ভোটারের নাম সংক্রান্ত বিষয় ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, তবুও এই প্রক্রিয়াই রেকর্ড ভোটদানের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক মনোজকুমার আগরওয়াল
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩০

বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রথম দফার নির্বাচন শেষ হয়েছে। সেদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন, যা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে এ বার ভোটের হার বাড়তে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই আশাই সত্যি হল, বাংলার প্রথম দফার নির্বাচনে ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়ে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। দিন শেষে এই বিপুল ভোটদানের কারণ ব্যাখ্যা করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, ভোটাররা এদিন নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর প্রক্রিয়া চালানো হয়েছিল। যদিও এখনও বহু ভোটারের নাম সংক্রান্ত বিষয় ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, তবুও এই প্রক্রিয়াই রেকর্ড ভোটদানের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক। সন্ধ্যার সাংবাদিক বৈঠকে মনোজ আগরওয়াল বলেন, “এসআইআর-র ফলে মৃত ভোটার ও স্থানান্তরিত ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় নেই। এর ফলে ভোটের হার শতাংশ তো বাড়বেই। দেশব্যাপীই এই ছবি দেখা যাচ্ছে। অসম-সহ যে সব রাজ্যে সম্প্রতি ভোট হয়েছে, সেখানে ভোটদানের হার বেড়েছে। আর বাংলায় তো ভোটদানের হার সবসময়ই বেশি থাকে। এবারও বেশি থাকবে।”

এর আগে ২০১১ সালে ভোটদানের হার ছিল ৮৪ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৮২.৬৬ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৮১.৫৬ শতাংশ। সেই রেকর্ড ভেঙে ২০২৬ সালের প্রথম দফাতেই ৯০ শতাংশের গণ্ডি পেরিয়েছে ভোট। দ্বিতীয় দফাতেও এই উচ্চ হার বজায় থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

কলকাতায় সাধারণত ভোটদানের হার কম থাকে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক বলেন, “আমরা সবাইকে ভোটদানের আবেদন করতে পারি। কলকাতাবাসীও তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।”

প্রথম দফার ভোটে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন অশান্তির ঘটনা ছাড়া সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল বলেও জানান তিনি। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণে সহযোগিতার জন্য সব রাজনৈতিক দলকেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক।


Share