Polling Personnel Beaten

রানাঘাটে ভোটকর্মীকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার দু’জন, মারধর-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু, বিডিওকে শোকজ

মারধরের ঘটনার পরে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট তলব করেছে। কমিশন সূত্রের খবর, জেলাশাসক, জেলার পুলিশের সুপার এবং মহকুমাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

জখম ভোটকর্মীর নাম সৈকত চট্টোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, রানাঘাট
  • শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১১:৫৩

রানাঘাটের দেবনাথ স্কুলে প্রশিক্ষণ নিতে আসা ভোটকর্মীকে মারধরের ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মামলা রুজু হওয়ার পরে তল্লাশি শুরু হয়। তাঁদের মধ্যে এক জনের হাঁসখালি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধৃতদের নাম মানস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নাজিমুদ্দিন সর্দার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রের খবর, ধৃতদের মধ্যে একজনকে হাঁসখালি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মানস ওসি নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি হাঁসখালির বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে শোকজ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, দু’জনই তৃণমূলের সঙ্গে জড়িত। তাঁরা বিডিও অফিসে কর্মরত বলেও দাবি করা হয়েছে।

জখম ভোটকর্মীর নাম সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। জানা গিয়েছে, শুক্রবার এ দিন সকালে রানাঘাট-১ নম্বর ব্লকের স্কুলে বিধানসভা নির্বাচনের জন‍্য ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল। প্রশিক্ষণ শুরুর আগেই প্রজেক্টরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জগন্নাথ মন্দিরের সরকারি বিজ্ঞাপন ভেসে ওঠে। প্রশিক্ষণ নিতে আসা ভোটকর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়-সহ বাকিরা সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হওয়ার পরেও কেন সরকারি বিজ্ঞাপন দেখানো হচ্ছে, তা নিয়ে সরব হন তিনি। এর পরেই তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে ভোট করানোর কোনও নৈতিক অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই বলে দাবি করল সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সংগঠনের তরফে রানাঘাটে ভোটকর্মী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিক্ষককে মারধরের প্রতিবাদে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে দাবি জানানো হয়েছে।


Share