Assembly Election

কংগ্রেস নেতার ওপর হামলার অভিযোগের তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

স্থানীয় সূত্রে খবর, মালদহের চাঁচল থানার শাহবাজপুর গ্রামে ওই হামলা হয়। অভিযোগ, চাঁচল-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা নাশেদা খাতুনের স্বামী, কংগ্রেস নেতা মর্তুজ আলমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, চাঁচল
  • শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৩:৪১

বিধানসভা ভোটের মুখে মালদহের গ্রামে রাজনৈতিক অশান্তি। কংগ্রেস নেতার উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। যদিও তৃণমূলের দাবি, কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় তাদের কোনও হাত নেই।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মালদহের চাঁচল থানার শাহবাজপুর গ্রামে ওই হামলা হয়। অভিযোগ, চাঁচল-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য নাশেদা খাতুনের স্বামী, কংগ্রেস নেতা মর্তুজ আলমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে পরিবার।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় মর্তুজকে উদ্ধার করা হয়। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসধীন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, চোখে গুরুতর চোট লেগেছে তাঁর।

আহত নেতার স্ত্রী নাশেদা খাতুনের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল কর্মী জনৈক রাজেশ এবং মিরাজ বাড়িতে ঢুকে তাঁর স্বামীকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বার করে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে। লোহার রড দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় স্বামীর। তাঁর এ-ও দাবি, বেশ কয়েকদিন ধরেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চলছিল। কংগ্রেস করেন বলেই তাঁদের পরিবারের উপর আক্রমণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান মালদহ জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আনজারুল হক এবং চাঁচল বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহেবুব। কংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূলের ‘গুন্ডাবাহিনী’ পরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালিয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছে তারা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। মালদা জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হোসেনের দাবি, ‘‘এটা কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।’’


Share