Assembly Election

কমিশনের নজরে ইডির হামলাকারীরা! ভোট পরবর্তী হিংসায় জড়িত অভিযুক্তেরাও কমিশনের স্ক্যানারে রয়েছে, খবর সূত্রের

এই নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের সমস্ত জেলা পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালাতে বলা হয়েছে। কমিশনের তরফে ইতিমধ্যেই ৫৫টি ঘটনার একটি বিস্তারিত তালিকা পাঠানো হয়েছে, যেখানে ভোট-পরবর্তী খুন, ধর্ষণ এবং রাজনৈতিক হিংসার মতো গুরুতর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ০৬:১১

নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোর ভাবে পর্যবেক্ষণের পথে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন। ভোট পরবর্তী হিংসা, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ওপর হামলা এবং বহুল আলোচিত একাধিক ফৌজদারি মামলায় যুক্ত অভিযুক্তদের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখতে নির্দেশ জারি করেছে কমিশন।

এই নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের সমস্ত জেলা পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালাতে বলা হয়েছে। কমিশনের তরফে ইতিমধ্যেই ৫৫টি এমন ঘটনা সামনে এসেছে, যেটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারই  বিস্তারিত তালিকা কমিশনের কাছে এসেছে। যেখানে ভোট-পরবর্তী খুন, ধর্ষণ এবং রাজনৈতিক হিংসার মতো গুরুতর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকেরা। সন্দেশখালিতে মাথা ফাটে এক আধিকারিকের। সেই তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে শাহজাহান শেখ এবং বনগাঁর তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ‍্যকে।  তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ওপর আক্রমণের ঘটনাগুলিকে নির্বাচন-পূর্ব নিরাপত্তা মূল্যায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

এ ছাড়াও, তালিকাভুক্ত হয়েছে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনা, বগটুই হত্যাকাণ্ড, তপন কাণ্ডুর খুন, ভাদু শেখ হত্যা মামলা, রিজওয়ানুর রহমান-এর অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং নেতাই হত্যাকান্ডের মতো বহুল আলোচিত মামলাও তালিকায় রয়েছে বলে কমিশন সূত্রের খবর।

কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, এই সব মামলায় চিহ্নিত বিচারাধীন অভিযুক্তদের ওপর বিশেষ নজর রাখতে হবে, যাতে নির্বাচন চলাকালীন বা তার আগে কোনও ভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত না হয়।

উল্লেখ্য, এমন রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা যেখানে ঘটেছে তার তালিকা আগেই চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই সময় তদন্তকারী আধিকারিকদের তালিকাও চাওয়া হয়েছে। সেই সমস্ত পুলিশ আধিকারিকেরা বর্তমানে কোথায় তা-ও জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।


Share