Assembly Election

‘আমাকে হিন্দুরা ভোট দিয়েছে,’ ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়ে বললেন শুভেন্দু অধিকারী

ভবানীপুরের পাশাপাশি এ বারও শুভেন্দু অধিকারী পূর্ব মেদিনীপুরর তাঁর পুরনো আসন নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন। ওই কেন্দ্র থেকে তিনি ৯ হাজার ৬৬৫ ভোটে তৃণমূলের পবিত্র করকে হারিয়ে দিয়েছেন।

ভবানীপুরে জিতলেন শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ ০১:০৩

বলেছিলেন। করে দেখালেন। ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ১৫ হাজারের বেশি ভোটে তিনি জয়ী হয়েছেন। এর পরেই সমর্থকদের উল্লাস আর মিষ্টিমুখের মধ্যে জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বললেন, “আমাকে জিতিয়েছেন ভবানীপুরের হিন্দু, জৈন, শিখ সমাজ। আমি তাঁদের প্রণাম জানাই।”

এর পরেই তিনি বলেন, “এ জয় হিন্দুত্বের জয়, পশ্চিমবঙ্গের জয়, মোদীজির জয়।” মমতাকে হারিয়ে ভবানীপুরে নিজের জয় শুভেন্দু উৎসর্গ করলেন, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্বের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করা ৩০০ জন বিজেপি কর্মীর প্রতি। ভবানীপুরে তাঁর হয়ে কাজ করতে আসা রাজস্থানের বিজেপি বিধায়কদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে জানালেন, প্রয়াত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জন্মভূমিতে এই ঐতিহাসিক জয়ের জন্য তিনি জনতার কাছে কৃতজ্ঞ।

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন। কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী শুভেন্দু অধিকারী ৭৩ হাজার ৯১৭টি ভোট পেয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৫৮ হাজার ১১২টি ভোট পেয়েছেন। সিপিএমের জামানত জব্দ হয়েছে।

ভবানীপুরের পাশাপাশি এ বারও শুভেন্দু অধিকারী পূর্ব মেদিনীপুরর তাঁর পুরনো আসন নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন। ওই কেন্দ্র থেকে তিনি ৯ হাজার ৬৬৫ ভোটে তৃণমূলের পবিত্র করকে হারিয়ে দিয়েছেন।

শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে জানিয়েছেন, সেখান থেকেই তিনি নন্দীগ্রামের গণনাকেন্দ্র হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও নন্দীগ্রামে শুভেন্দু ১০ হাজারেরও কম ভোটে জিতেছেন। যদিও ২০২১ সালের নিরিখে নন্দীগ্রামে তিনি ব‍্যবধান অনেকটাই বাড়িয়েছেন। শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছেন, মুসলমানরা ভোট না পাওয়ার কারণেই নন্দীগ্রামে জয়ের মার্জিন কম হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাস বলছে, কংগ্রেস ছেড়ে বাংলা কংগ্রেস গঠনের পরে ১৯৬৭ সালে সালের বিধানসভা ভোটে অজয় মুখোপাধ্যায় তমলুক আসনের পাশাপাশি আরামবাগ বিধানসভায় প্রার্থী হয়ে হারিয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল সেনকে। সোমবার সেই ইতিহাস ছুঁয়ে ফেললেন শুভেন্দু।


Share