Lalbazar

কমিশনের নির্দেশের পর অ্যাকশনে লালবাজার! বকেয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে জবাবদিহি, পুলিশকর্মীদের সতর্কবার্তা

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব পরোয়ানা এখনও ঝুলে রয়েছে, সেগুলি দ্রুত কার্যকর করতে হবে। কোথায় কী কারণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকাও চাওয়া হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সন্তোষ পান্ডে
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ০৩:৩৮

ভোটের আগে কলকাতা পুলিশের আওতাধীন থানাগুলিকে কড়া বার্তা দিল লালবাজার। বহু গ্রেফতারি পরোয়ানা এখনও কার্যকর হয়নি এই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, যাঁদের নামে পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে। আর যদি তা সম্ভব না হয়, তবে কেন হয়নি এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে লালবাজারে।

এর আগেই নির্বাচন কমিশন জামিনঅযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতেই লালবাজারের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শুধু জামিনঅযোগ্য নয়, জামিনযোগ্য পরোয়ানার ক্ষেত্রেও কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তার বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে।

লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, যেসব পরোয়ানা এখনও ঝুলে রয়েছে, সেগুলি দ্রুত কার্যকর করতে হবে। কোথায় কী কারণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তার পূর্ণাঙ্গ তালিকাও চাওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময় এই ধরনের পরোয়ানার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি বলেই মনে করছে পুলিশ প্রশাসন। পাশাপাশি, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সব পুলিশকর্মীকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সরকারি নিয়মবিধি না মানার অভিযোগ উঠেছে সেই কারণেই সকলকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সুপ্রতিম সরকার কলকাতার পুলিশ কমিশনার থাকাকালীনই পুলিশকর্মীদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে ১৫ দফা নির্দেশিকা জারি করেছিলেন। পরে নির্বাচনী আচরণবিধি জারি হওয়ার পর তাঁকে সরিয়ে অজয় নন্দকে নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়। সোমবারের নির্দেশিকায় সুপ্রতিমের সেই সমাজমাধ্যম সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলার কথাও পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ থেকে নিচুতলার কর্মীদের জন্য একাধিক নির্দেশ জারি করেছিল। সেখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছিল, যাঁদের বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের ১০ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। আগের নির্বাচনের সময়ের অপরাধমূলক মামলাগুলিও দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি কমিশন স্পষ্ট করে দেয়, নির্বাচনের সময় সমস্ত সরকারি কর্মচারী নির্বাচন কমিশনের অধীনেই কাজ করেন এবং প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।


Share