Election Commission

স্থানীয় অসাধু চক্রের সঙ্গে যুক্ত! কতর্ব্যে গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড হিঙ্গলগঞ্জে ওসি, নির্দেশ কমিশনের

গত ২১ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে পাঠান। সেই রিপোর্ট এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই বৃহস্পতিবার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, হিঙ্গলগঞ্জ
  • শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৫১

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও ভাবেই শিথিলতা বরদাস্ত করতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কমিশন আবার কঠোর পদক্ষেপ করল। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সন্দীপ সরকারকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

শুধু সাসপেনশনই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশও জারি হয়েছে। সন্দীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ, হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে কমিশনের কাছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ জমা পড়েছিল। তার মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, স্থানীয় অসাধু চক্র বা রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে যোগসাজশ। এ ছাড়াও, এবং ভোটের সময় সব দলের জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বজায় রাখতে ব্যর্থতা।

গত ২১ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে পাঠান। সেই রিপোর্ট এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই বৃহস্পতিবার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সন্দীপ সরকারকে অবিলম্বে পদ থেকে সরাতে হবে। একই সঙ্গে এদিন সকাল ১১টার মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট বা কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি পদ শূন্য হয়ে পড়ায় সেখানে দ্রুত নতুন আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে ভোট পরিচালনার জন্য স্বচ্ছ ভাবমূর্তির একজন অফিসারকে দায়িত্বে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে নবান্ন।

হিঙ্গলগঞ্জের এই ঘটনার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ভোটে কোনও রকম গাফিলতি বা পক্ষপাত মেনে নেওয়া হবে না। এই নির্দেশের প্রতিলিপি ইতিমধ্যেই রাজ্যের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছেও পাঠানো হয়েছে। এখন নজর হিঙ্গলগঞ্জ এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকে।


Share